, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গুপ্ত সংগঠনের লোকজনই আজ নতুন জালেম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে : তারেক রহমান। সমাতাভিত্তিক রাষ্ট্র উপহার দেয়ার কথা জানালেন ডা. জুবাইদা রহমান। মাঝ আকাশে ইঞ্জিন বিকল, কলকাতায় জরুরি অবতরণ তুর্কি বিমানের। দেশের রাজনীতিতে ফেরার ছক কষছেন ভারতে নির্বাসিত আওয়ামী লীগ নেতারা। নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই : সেনাপ্রধান ওয়াকার। প্রশাসন ক্যাডারের বিরোধিতায় কি ঝুলে যাচ্ছে এনবিআর ভাগ করা। বিসিবি) কর্মকর্তারা গণমাধ্যমে প্রচারিত তিনশ কোটির পক্ষে একমত নন। বাংলাদেশে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন সাড়ে ৬ লাখ ভোটার। RAB নাম পরিবর্তন করে হচ্ছে এসআইএফ। অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি, চট্রগ্রাম বন্দর গভীর হচ্ছে অচলাবস্থা।

বিসিবি) কর্মকর্তারা গণমাধ্যমে প্রচারিত তিনশ কোটির পক্ষে একমত নন।

  • প্রকাশের সময় : ১৬ ঘন্টা আগে
  • ১৭ পড়া হয়েছে

স্পোর্টস ডেস্ক।

নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারতে গিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে রাজি না হওয়ায় বাংলাদেশের ক্ষতি হয়েছে অন্তত ৩০০ কোটি টাকা। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কর্মকর্তারা গণমাধ্যমে প্রচারিত তিনশ কোটির পক্ষে একমত ন।

বিসিবির পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম বলেছেন, ‘আর্থিক ক্ষতি বলতে পারেন। সেটা হলো— খেলা চলাকালীন খেলার স্ট্যান্ডিংটা যখন হয়, তখন সেই স্ট্যান্ডিংয়ে বিসিবির একটা অংশ থাকে।

বিসিবি পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু বলেছেন, ‘এটা তো ওরা বলতে পারবে, ওদের কার সঙ্গে কী চুক্তি। এটা খুবই কঠিন, আমার কথা হচ্ছে যে, যাদের স্পন্সর আছে, ওদের যে স্পন্সর আছে, ওরাও একটা চিন্তা করেছে হয়তো যে, কেমন ক্রাউড হবে।’

এম নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্বকাপে খেলতে দেয়া হচ্ছে না, এ কারণে আমরা ৩৩০ কোটি টাকা লস করবো, এটা সত্যি নয়। কিছু তো সরাসরি ক্ষতি, আর কিছু সেকেন্ডারি ক্ষতি। সেকেন্ডারি ক্ষতি কত, সেটা এখন বলতে পারবো না।

আমাদের ঠিকানা নিউজ। 

 

জনপ্রিয়

গুপ্ত সংগঠনের লোকজনই আজ নতুন জালেম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে : তারেক রহমান।

বিসিবি) কর্মকর্তারা গণমাধ্যমে প্রচারিত তিনশ কোটির পক্ষে একমত নন।

প্রকাশের সময় : ১৬ ঘন্টা আগে

স্পোর্টস ডেস্ক।

নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারতে গিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে রাজি না হওয়ায় বাংলাদেশের ক্ষতি হয়েছে অন্তত ৩০০ কোটি টাকা। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কর্মকর্তারা গণমাধ্যমে প্রচারিত তিনশ কোটির পক্ষে একমত ন।

বিসিবির পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম বলেছেন, ‘আর্থিক ক্ষতি বলতে পারেন। সেটা হলো— খেলা চলাকালীন খেলার স্ট্যান্ডিংটা যখন হয়, তখন সেই স্ট্যান্ডিংয়ে বিসিবির একটা অংশ থাকে।

বিসিবি পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু বলেছেন, ‘এটা তো ওরা বলতে পারবে, ওদের কার সঙ্গে কী চুক্তি। এটা খুবই কঠিন, আমার কথা হচ্ছে যে, যাদের স্পন্সর আছে, ওদের যে স্পন্সর আছে, ওরাও একটা চিন্তা করেছে হয়তো যে, কেমন ক্রাউড হবে।’

এম নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্বকাপে খেলতে দেয়া হচ্ছে না, এ কারণে আমরা ৩৩০ কোটি টাকা লস করবো, এটা সত্যি নয়। কিছু তো সরাসরি ক্ষতি, আর কিছু সেকেন্ডারি ক্ষতি। সেকেন্ডারি ক্ষতি কত, সেটা এখন বলতে পারবো না।

আমাদের ঠিকানা নিউজ।