, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলের মৃত্যু। ১৭৪ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। মাত্র ১ রান, হাতে ৫ উইকেট। কোনোরকম সিঙ্গেল নিলেই শিরোপা রয়েল চ্যালেঞ্জার্স। এনসিপির এক নেতাকে দলের সব দায়িত্ব ও কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী। ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবি। গোমতী নদীর টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও পাকা করনের দাবীতে কুমিল্লার বুড়িচংয়ে মানববন্ধন। একে একে ফিরে গেলেন অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিক, লিটন দাসরা। এনবিএফআই বন্ধ বা অবসায়নের প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে: বাংলাদেশ ব্যাংকের। বৃষ্টির কারণে বন্ধ রয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার প্রথম টেস্ট।

মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলের মৃত্যু।

  • প্রকাশের সময় : ৪৮ মিনিট আগে
  • ৪ পড়া হয়েছে

ফটিকছড়ি উপজেলায় বাসের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলের মৃত্য হয়েছে।আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়কের পাইন্দং ইউনিয়নের আমতল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন – মুহাম্মদ শাহজাহান (৪৮) ও তার ছেলে মুহাম্মদ আরিফ (১৮)। তারা উপজেলার উত্তর পাইন্দং এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

নাজিরহাট হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোবারক জানান, মোটরসাইকেলযোগে চট্টগ্রাম শহরের দিকে যাওয়ার পথে আমতল এলাকায় দ্রুতগতির বাস মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। এতে বাবা-ছেলে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

ঘটনার পরপরই ক্ষুব্ধ জনতা সড়ক অবরোধ করে ঘাতক বাসে আগুন দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিস কর্মী, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর পরিস্থিতিতে কিছুটা শান্ত হয়। পুলিশ এখনো ঘটনাস্থলে রয়েছে।

amardesh24.com

 

মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলের মৃত্যু।

মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলের মৃত্যু।

প্রকাশের সময় : ৪৮ মিনিট আগে

ফটিকছড়ি উপজেলায় বাসের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলের মৃত্য হয়েছে।আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়কের পাইন্দং ইউনিয়নের আমতল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন – মুহাম্মদ শাহজাহান (৪৮) ও তার ছেলে মুহাম্মদ আরিফ (১৮)। তারা উপজেলার উত্তর পাইন্দং এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

নাজিরহাট হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোবারক জানান, মোটরসাইকেলযোগে চট্টগ্রাম শহরের দিকে যাওয়ার পথে আমতল এলাকায় দ্রুতগতির বাস মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। এতে বাবা-ছেলে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

ঘটনার পরপরই ক্ষুব্ধ জনতা সড়ক অবরোধ করে ঘাতক বাসে আগুন দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিস কর্মী, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর পরিস্থিতিতে কিছুটা শান্ত হয়। পুলিশ এখনো ঘটনাস্থলে রয়েছে।

amardesh24.com