, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা-সিলেট রুটে ডাবল লাইন রেলপথ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

  • প্রকাশের সময় : ১৬ ঘন্টা আগে
  • ২৩ পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক।

দেশের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঢাকাসিলেট রুটে ডাবল লাইন রেলপথ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকারএবং শিগগিরই এর কাজ শুরু হবে।গতকাল শনিবার সিলেট সিটি করপোরেশন–এর নগর ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা ও সিলেটের মধ্যে রেল যোগাযোগ উন্নত করতে এ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ডাবল লাইন চালু হলে যাত্রীদের যাতায়াত খরচ কমবে এবং ব্যবসায়ীরা কম ব্যয়ে পণ্য পরিবহন করতে পারবেন।

 

তিনি আরও বলেন, সড়কপথ সম্প্রসারণের তুলনায় রেলপথ বেশি কার্যকর। রাস্তা বাড়ালে যানবাহনও বাড়ে, ফলে যানজট কমে না। পাশাপাশি সড়ক সম্প্রসারণে কৃষিজমিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই সরকার রেলব্যবস্থার উন্নয়নে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে, যদিও সড়ক উন্নয়ন কার্যক্রমও চলমান থাকবে।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক–এর বর্তমান দুরবস্থার কথাও তুলে ধরেন তিনি। জানান, অনেক ক্ষেত্রে যাত্রায় ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগে এবং ভাঙাচোরা রাস্তার কারণে যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার গঠনের পর থেকেই এ সড়ক উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নে জমি অধিগ্রহণ ও প্রশাসনিক কিছু জটিলতা রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এসব সমস্যা সমাধানে কাজ করছে এবং আশা করা হচ্ছে, দ্রুত কাজ শুরু হয়ে ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যে শেষ করা সম্ভব হবে।অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয় সুরমা নদী–এর দুই তীরে সৌন্দর্যবর্ধন ও বন্যা প্রতিরোধী অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের উদ্বোধন উপলক্ষে।

আমাদের ঠিকানা।

ঢাকা-সিলেট রুটে ডাবল লাইন রেলপথ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

প্রকাশের সময় : ১৬ ঘন্টা আগে

নিজস্ব প্রতিবেদক।

দেশের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঢাকাসিলেট রুটে ডাবল লাইন রেলপথ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকারএবং শিগগিরই এর কাজ শুরু হবে।গতকাল শনিবার সিলেট সিটি করপোরেশন–এর নগর ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা ও সিলেটের মধ্যে রেল যোগাযোগ উন্নত করতে এ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ডাবল লাইন চালু হলে যাত্রীদের যাতায়াত খরচ কমবে এবং ব্যবসায়ীরা কম ব্যয়ে পণ্য পরিবহন করতে পারবেন।

 

তিনি আরও বলেন, সড়কপথ সম্প্রসারণের তুলনায় রেলপথ বেশি কার্যকর। রাস্তা বাড়ালে যানবাহনও বাড়ে, ফলে যানজট কমে না। পাশাপাশি সড়ক সম্প্রসারণে কৃষিজমিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই সরকার রেলব্যবস্থার উন্নয়নে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে, যদিও সড়ক উন্নয়ন কার্যক্রমও চলমান থাকবে।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক–এর বর্তমান দুরবস্থার কথাও তুলে ধরেন তিনি। জানান, অনেক ক্ষেত্রে যাত্রায় ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগে এবং ভাঙাচোরা রাস্তার কারণে যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার গঠনের পর থেকেই এ সড়ক উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নে জমি অধিগ্রহণ ও প্রশাসনিক কিছু জটিলতা রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এসব সমস্যা সমাধানে কাজ করছে এবং আশা করা হচ্ছে, দ্রুত কাজ শুরু হয়ে ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যে শেষ করা সম্ভব হবে।অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয় সুরমা নদী–এর দুই তীরে সৌন্দর্যবর্ধন ও বন্যা প্রতিরোধী অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের উদ্বোধন উপলক্ষে।

আমাদের ঠিকানা।