, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গোমতী নদীর টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও পাকা করনের দাবীতে কুমিল্লার বুড়িচংয়ে মানববন্ধন। একে একে ফিরে গেলেন অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিক, লিটন দাসরা। এনবিএফআই বন্ধ বা অবসায়নের প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে: বাংলাদেশ ব্যাংকের। বৃষ্টির কারণে বন্ধ রয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার প্রথম টেস্ট। কর্ণফুলী ও দেশের নদ নদী রক্ষায় সাম্পান খেলা ও চাটগাঁইয়া সাংস্কৃতিক মেলার। শার্ট অপরিবর্তিত রেখে প্যান্টের রং পরিবর্তন হতে যাচ্ছে পুলিশের পোশাকে। চট্টগ্রাম জেলা প্রেস ক্লাব কতৃক আয়োজিত বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস পালন। সাবেক  আইজি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। উল্টো পথে আসা যানবাহনের কারণে বাকলিয়ায় বেড়েছে দুর্ঘটনা। ঢাকা-সিলেট রুটে ডাবল লাইন রেলপথ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

বিল পাস হওয়ার আগে জাতীয় এনসিপি সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ আপত্তি উত্থাপন করেন।

  • প্রকাশের সময় : ০৩:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪০ পড়া হয়েছে

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদের বৈঠকে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করেন এবং তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

বিলটি পাস হওয়ার আগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ তার আপত্তি উত্থাপন করেন তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ বাতিল করা হলেও আইনটি রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত থাকবে না এবং মানবাধিকার কমিশনকে রাজনৈতিক দমনপীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে। কিন্তু তার আপত্তি কণ্ঠভোটে নাকচ হয়।

Politics

সংসদে বক্তব্যে হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, “বিলটি নিয়ে আলোচনার জন্য যে সময় দেওয়া হয়েছে, তা যথেষ্ট নয়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সীমিত সময়ে আলোচনা কার্যকর হয় না।” স্পিকার অতীতে দুই মিনিট করে সময় দেওয়ার নজির থাকলেও পরে তিনি হাসনাতকে আরও দুই মিনিট সময় দেন। বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমানও বিষয়টির গুরুত্ব উল্লেখ করে অতিরিক্ত সময় দেওয়ার পক্ষে মত দেন।

বিলটি পাস হওয়ার ফলে ২০০৯ সালের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন পুনরায় কার্যকর হচ্ছে, যা দেশের মানবাধিকার সংরক্ষণ ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আমাদের ঠিকানা নিউজ। 

 

জনপ্রিয়

গোমতী নদীর টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও পাকা করনের দাবীতে কুমিল্লার বুড়িচংয়ে মানববন্ধন।

বিল পাস হওয়ার আগে জাতীয় এনসিপি সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ আপত্তি উত্থাপন করেন।

প্রকাশের সময় : ০৩:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদের বৈঠকে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করেন এবং তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

বিলটি পাস হওয়ার আগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ তার আপত্তি উত্থাপন করেন তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ বাতিল করা হলেও আইনটি রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত থাকবে না এবং মানবাধিকার কমিশনকে রাজনৈতিক দমনপীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে। কিন্তু তার আপত্তি কণ্ঠভোটে নাকচ হয়।

Politics

সংসদে বক্তব্যে হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, “বিলটি নিয়ে আলোচনার জন্য যে সময় দেওয়া হয়েছে, তা যথেষ্ট নয়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সীমিত সময়ে আলোচনা কার্যকর হয় না।” স্পিকার অতীতে দুই মিনিট করে সময় দেওয়ার নজির থাকলেও পরে তিনি হাসনাতকে আরও দুই মিনিট সময় দেন। বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমানও বিষয়টির গুরুত্ব উল্লেখ করে অতিরিক্ত সময় দেওয়ার পক্ষে মত দেন।

বিলটি পাস হওয়ার ফলে ২০০৯ সালের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন পুনরায় কার্যকর হচ্ছে, যা দেশের মানবাধিকার সংরক্ষণ ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আমাদের ঠিকানা নিউজ।