
স্পোর্টস ডেস্ক।
কল্যাণী: দেওয়াল লিখন আগেই স্পষ্ট ছিল। প্রত্যাশিতভাবেই রনজি ট্রফির কোয়ার্টার-ফাইনালে অন্ধ্রপ্রদেশকে গুঁড়িয়ে দিল বাংলা গতকাল মঙ্গলবার কল্যাণীতে ইনিংস ও ৯০ রানে ম্যাচ জিতে সেমি-ফাইনালে অভিমন্যু ঈশ্বরণ ব্রিগেড। প্রথম ইনিংসে অন্ধ্রপ্রদেশের ২৯৫ রানের জবাবে বাংলা তোলে পাহাড়প্রমাণ ৬২৯। সৌজন্যে সুদীপ ঘরামির ম্যারাথন ২৯৯ রানের ইনিংস। অর্থাত্, বাংলার ঝুলিতে লিড ছিল ৩৩৪ রানের। আর দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ২৪৪ রানেই গুটিয়ে যায় অন্ধ্রপ্রদেশ। স্পিনের জালে একাই চার উইকেট তুলে নেন শাহবাজ আহমেদ। উল্লেখ্য, সেমি-ফাইনালে বাংলার প্রতিপক্ষ জম্মু ও কাশ্মীর। যারা কোয়ার্টার-ফাইনালে মধ্যপ্রদেশকে হারিয়েছে। তবে ম্যাচটি কল্যাণীতে হওয়ায় হোম অ্যাডভান্টেজ কাজে লাগাতে মুখিয়ে লক্ষ্মীরতন শুক্লার ছেলেরা।
প্রথম ইনিংসে বাংলার ৬২৯ রানের পরই ছবিটা মোটামুটি পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল। মূলত সুদীপ ঘরামির ব্যাটেই হেরে গেল অন্ধ্রপ্রদেশ। কারণ, একটা সময় ৪৩ রানে ৩ উইকেট খুইয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল বঙ্গ-দল। সেখান থেকে সুদীপের ২৯৯ রানের ইনিংসই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। প্রশংসা করতে হবে সুমন্ত গুপ্ত ও শাকির হাবিব গান্ধীরও। অন্যদিকে, অন্ধ্রপ্রদেশের নীতীশ কুমার রেড্ডি দ্বিতীয় ইনিংসে ৯০ রান করলেও, বাকিরা জ্বলে উঠতে ব্যর্থ। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকালে স্কোরবোর্ডে ৩ উইকেটে ৬৪ রান নিয়ে ব্যাট করতে নামে অন্ধ্রপ্রদেশ। শুরুতেই আরও তিনটি উইকেট পড়ে যাওয়ায় চাপে পড়ে যায় অ্যাওয়ে দল। তবে নীতীশ একা মাটি কামড়ে পড়েছিলেন। যদিও সেঞ্চুরি থেকে ১০ রান দূরে তাঁকে ডাগ আউটের পথ দেখান শাহবাজ। এরপর এই বঙ্গ অলরাউন্ডারের ঘূর্ণির সামনে দাঁড়াতে পারেনি অন্ধ্রের টেলএন্ডাররা। ম্যাচের পর বাংলার অধিনায়ক অভিমন্যু বলছিলেন, ‘এই জয়ে খুবই খুশি। আলাদা করে প্রশংসা করতে হবে সুদীপের। অসাধারণ খেলল।
আমাদের ঠিকানা।

























