, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
১০ দিনের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকবে হরমুজ প্রণালি খুলনায় ছুরিঘাতকে একজন নিহত ২ জন আহত। Eastern Refinery Limited (ইআরএল)-এর উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শাকিব খানের পরবর্তী সিনেমা ‘রকস্টার’ নিয়ে দর্শকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। কুমিল্লার দাউদকান্দিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন;বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। নববর্ষ প্রবেশের নববস্ত্র পরিধানদির একটা লক্ষণ। সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন জমা দিলেন এডভোকেট হাসনা হেনা। প্রধান মন্ত্রীর সফরের দিন-তারিখ ও সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। অনলাইন-অফলাইন পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

পাকিস্তান ১৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ৭ উইকেটের কষ্টার্জিত জয়।

  • প্রকাশের সময় : ১১:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭৪ পড়া হয়েছে

স্পোর্টস ডেস্ক।

পাকিস্তান ১৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ৭ উইকেটের কষ্টার্জিত জয় পেয়েছে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। কলম্বোর সিনহলিজ স্পোর্টস গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ফাহিম আশরাফের ১১ বলে ২৯ রানের ক্যামিও ইনিংস দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেয়।

নেদারল্যান্ডস আগে ব্যাটিং করে ১৪৭ রানে অলআউট হয়। তাদের ইনিংসের শুরুটা শক্তিশালী ছিল। ১৩ ওভারে ৩ উইকেটে ১০০ রান সংগ্রহের পর বড় সংগ্রহের ইঙ্গিত মিলছিল, তবে শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৭ রানে থেমে যায় স্কট এডওয়ার্ডসের নেতৃত্বাধীন দল। ডাচদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানও কষ্টের মধ্য দিয়ে এগোয়। ওপেনার সাইম আইয়ুব ২৪ রান করে আউট হন। অধিনায়ক সালমান আলী আগারা মাত্র ১২ রান করতে পারেন। দ্বিতীয় উইকেটে ৫৩ রানে বিদায় নেন ফারহান ও উসমান। বাবর আজম ১০০ রানে ফেরেন, এরপর মোহাম্মদ নওয়াজ ও শাদাব খানও চোটকালে বিদায় নেন। দল ১৪৪ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে।

শেষ দিকে ফাহিম আশরাফের ব্যাট হাতে দৃঢ়তা আসে। মাত্র ১১ বল খেলে ২৯ রান করে অপরাজিত থেকে পাকিস্তানকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন এবং ম্যাচসেরাও হন।

নেদারল্যান্ডসের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন আর্য দত্ত ও পল ফন মিকেরেন। একটি করে উইকেট পেয়েছেন লোগান ফন বিক, কাইল ক্লেইন ও ফন ডার মারউই। পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নিয়েছেন সালমান মির্জা, দুটি করে উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ নওয়াজ, আবরার আহমেদ ও সাইম আইয়ুব। একটি উইকেট নিয়েছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি।

এই জয় পাকিস্তানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ টার্গেট তাড়া করতে গিয়ে দলের কয়েকজন সিনিয়র ব্যাটসম্যান দ্রুত আউট হওয়া এবং চাপের মধ্যে ফাহিম আশরাফের ক্যামিও ইনিংস ম্যাচের রূপ পরিবর্তন করে।

আমাদের ঠিকানা।

 

জনপ্রিয়

১০ দিনের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকবে হরমুজ প্রণালি

পাকিস্তান ১৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ৭ উইকেটের কষ্টার্জিত জয়।

প্রকাশের সময় : ১১:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক।

পাকিস্তান ১৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ৭ উইকেটের কষ্টার্জিত জয় পেয়েছে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। কলম্বোর সিনহলিজ স্পোর্টস গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ফাহিম আশরাফের ১১ বলে ২৯ রানের ক্যামিও ইনিংস দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেয়।

নেদারল্যান্ডস আগে ব্যাটিং করে ১৪৭ রানে অলআউট হয়। তাদের ইনিংসের শুরুটা শক্তিশালী ছিল। ১৩ ওভারে ৩ উইকেটে ১০০ রান সংগ্রহের পর বড় সংগ্রহের ইঙ্গিত মিলছিল, তবে শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৭ রানে থেমে যায় স্কট এডওয়ার্ডসের নেতৃত্বাধীন দল। ডাচদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানও কষ্টের মধ্য দিয়ে এগোয়। ওপেনার সাইম আইয়ুব ২৪ রান করে আউট হন। অধিনায়ক সালমান আলী আগারা মাত্র ১২ রান করতে পারেন। দ্বিতীয় উইকেটে ৫৩ রানে বিদায় নেন ফারহান ও উসমান। বাবর আজম ১০০ রানে ফেরেন, এরপর মোহাম্মদ নওয়াজ ও শাদাব খানও চোটকালে বিদায় নেন। দল ১৪৪ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে।

শেষ দিকে ফাহিম আশরাফের ব্যাট হাতে দৃঢ়তা আসে। মাত্র ১১ বল খেলে ২৯ রান করে অপরাজিত থেকে পাকিস্তানকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন এবং ম্যাচসেরাও হন।

নেদারল্যান্ডসের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন আর্য দত্ত ও পল ফন মিকেরেন। একটি করে উইকেট পেয়েছেন লোগান ফন বিক, কাইল ক্লেইন ও ফন ডার মারউই। পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নিয়েছেন সালমান মির্জা, দুটি করে উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ নওয়াজ, আবরার আহমেদ ও সাইম আইয়ুব। একটি উইকেট নিয়েছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি।

এই জয় পাকিস্তানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ টার্গেট তাড়া করতে গিয়ে দলের কয়েকজন সিনিয়র ব্যাটসম্যান দ্রুত আউট হওয়া এবং চাপের মধ্যে ফাহিম আশরাফের ক্যামিও ইনিংস ম্যাচের রূপ পরিবর্তন করে।

আমাদের ঠিকানা।