স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদের বৈঠকে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করেন এবং তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।
বিলটি পাস হওয়ার আগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ তার আপত্তি উত্থাপন করেন তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ বাতিল করা হলেও আইনটি রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত থাকবে না এবং মানবাধিকার কমিশনকে রাজনৈতিক দমনপীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে। কিন্তু তার আপত্তি কণ্ঠভোটে নাকচ হয়।
সংসদে বক্তব্যে হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, “বিলটি নিয়ে আলোচনার জন্য যে সময় দেওয়া হয়েছে, তা যথেষ্ট নয়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সীমিত সময়ে আলোচনা কার্যকর হয় না।” স্পিকার অতীতে দুই মিনিট করে সময় দেওয়ার নজির থাকলেও পরে তিনি হাসনাতকে আরও দুই মিনিট সময় দেন। বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমানও বিষয়টির গুরুত্ব উল্লেখ করে অতিরিক্ত সময় দেওয়ার পক্ষে মত দেন।
বিলটি পাস হওয়ার ফলে ২০০৯ সালের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন পুনরায় কার্যকর হচ্ছে, যা দেশের মানবাধিকার সংরক্ষণ ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আমাদের ঠিকানা নিউজ।