, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নতুন সমন্বয়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৫৭ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫২৮ টাকা নির্ধারণ করেছে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১৮ কেজি ৭২ গ্রাম স্বর্ণ জব্দ। ১০ শিক্ষার্থী এবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। বিশ্বকাপে গোল করার অনন্য কীর্তি, অগণিত ক্লাব শিরোপা-রোনালদোর। সৌদি আরবে সম্পত্তি মালিকানার সুযোগ উন্মুক্ত করেছে দেশটির সরকার। সারা দেশে হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু। বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।  হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন ইঙ্গিত পাওয়ার পর তেলের দাম কমেছে। দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান। ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় বজ্রবৃষ্টি হতে পারে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

১০ শিক্ষার্থী এবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি।

  • প্রকাশের সময় : ৪ ঘন্টা আগে
  • ১ পড়া হয়েছে

মহাস্থান মাহী সাওয়ার ডিগ্রি কলেজের মানবিক বিভাগের ১০ শিক্ষার্থী এবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি কলেজের অফিস সহকারী (কম্পিউটার অপারেটর) সাব্বির হোসেন শাওন ফরম পূরণের টাকা নিয়েও জমা না করায় ওই ১০ শিক্ষার্থীর পরীক্ষার প্রবেশপত্র ইস্যু হয়নি। ফলে ২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া পরীক্ষায় অংশ নিতে না পেরে ওই শিক্ষার্থী ও তাদের স্বজনরা কলেজে এসে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ, প্রায় দুই মাস আগে এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে যাওয়ার পর অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে তাদের ফরম পূরণ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন কলেজের কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসেন শাওন।

এ সময় তিনি প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে চার হাজার থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা করে আদায় করেন। গত ২৪ জুন কলেজের অন্যান্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড বিতরণ করা হলেও ওই ১০ শিক্ষার্থীকে জানানো হয়, দেরিতে ফরম পূরণ করায় তাদের প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন পেতে কিছুটা সময় লাগবে। বুধবার বিকেল পর্যন্ত কলেজে অপেক্ষা করেও তারা প্রবেশপত্র পাননি। পরে বৃহস্পতিবার সারাদেশে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হলেও প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড না থাকায় তারা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি।

মো. হাসর নামে এক শিক্ষার্থী জানায়, সে কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসেন শাওনকে ফরম ফিলাপের জন্য ৪ হাজার টাকা দিয়েছিলো। ২৪ জুন থেকে সব পরীক্ষার্থীকে প্রবেশপত্র দেওয়া হয়। হাসর ওইদিন সাব্বিরের প্রবেশপত্রের জন্য যেগাযোগ করলে সে বলে তোমার টাকা দেরিতে দেওয়া হয়েছে, এজন্য তোমার প্রবেশপত্র পেতে একটু দেরি হবে। ২৮ তারিখে আমি রাজশাহী থেকে তোমার প্রবেশপত্র এনে দেবো।

তারপর থেকে তাকে আর মোবাইলেও পাওয়া যাচ্ছে না। একই কথা বলেন আরেক ভুক্তভোগী সম্রাট সরকার। সেও কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসনকে সাড়ে ৫ হাজার টাকা দিয়েছিলো। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বুধবার থেকে অভিযুক্ত কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসেন শাওনের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। ঘটনার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন বলে দাবি করেন তারা। কলেজ কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলা ও এক কর্মচারীর প্রতারণার কারণে তাদের শিক্ষাজীবন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে বলে তাদের অভিযোগ।

সাব্বির হোসেন শাওনের বাড়ি শিবগঞ্জের বানাইলে। গতবছর আগস্ট মাসে এখানে খন্ডকালিন কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে জয়েন করেন।

amadertikana.com

 

নতুন সমন্বয়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৫৭ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫২৮ টাকা নির্ধারণ করেছে।

১০ শিক্ষার্থী এবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি।

প্রকাশের সময় : ৪ ঘন্টা আগে

মহাস্থান মাহী সাওয়ার ডিগ্রি কলেজের মানবিক বিভাগের ১০ শিক্ষার্থী এবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি কলেজের অফিস সহকারী (কম্পিউটার অপারেটর) সাব্বির হোসেন শাওন ফরম পূরণের টাকা নিয়েও জমা না করায় ওই ১০ শিক্ষার্থীর পরীক্ষার প্রবেশপত্র ইস্যু হয়নি। ফলে ২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া পরীক্ষায় অংশ নিতে না পেরে ওই শিক্ষার্থী ও তাদের স্বজনরা কলেজে এসে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ, প্রায় দুই মাস আগে এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে যাওয়ার পর অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে তাদের ফরম পূরণ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন কলেজের কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসেন শাওন।

এ সময় তিনি প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে চার হাজার থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা করে আদায় করেন। গত ২৪ জুন কলেজের অন্যান্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড বিতরণ করা হলেও ওই ১০ শিক্ষার্থীকে জানানো হয়, দেরিতে ফরম পূরণ করায় তাদের প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন পেতে কিছুটা সময় লাগবে। বুধবার বিকেল পর্যন্ত কলেজে অপেক্ষা করেও তারা প্রবেশপত্র পাননি। পরে বৃহস্পতিবার সারাদেশে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হলেও প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড না থাকায় তারা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি।

মো. হাসর নামে এক শিক্ষার্থী জানায়, সে কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসেন শাওনকে ফরম ফিলাপের জন্য ৪ হাজার টাকা দিয়েছিলো। ২৪ জুন থেকে সব পরীক্ষার্থীকে প্রবেশপত্র দেওয়া হয়। হাসর ওইদিন সাব্বিরের প্রবেশপত্রের জন্য যেগাযোগ করলে সে বলে তোমার টাকা দেরিতে দেওয়া হয়েছে, এজন্য তোমার প্রবেশপত্র পেতে একটু দেরি হবে। ২৮ তারিখে আমি রাজশাহী থেকে তোমার প্রবেশপত্র এনে দেবো।

তারপর থেকে তাকে আর মোবাইলেও পাওয়া যাচ্ছে না। একই কথা বলেন আরেক ভুক্তভোগী সম্রাট সরকার। সেও কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসনকে সাড়ে ৫ হাজার টাকা দিয়েছিলো। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বুধবার থেকে অভিযুক্ত কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসেন শাওনের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। ঘটনার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন বলে দাবি করেন তারা। কলেজ কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলা ও এক কর্মচারীর প্রতারণার কারণে তাদের শিক্ষাজীবন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে বলে তাদের অভিযোগ।

সাব্বির হোসেন শাওনের বাড়ি শিবগঞ্জের বানাইলে। গতবছর আগস্ট মাসে এখানে খন্ডকালিন কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে জয়েন করেন।

amadertikana.com