, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
আবারও চট্রগ্রাম বন্দরে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি। নগরীর হালিশহরে দেড় কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৫। সতর্ক থাকতে হবে, আপনাদের রায়কে কেউ যেন পাল্টে দিতে না পারে: তারেক রহমান। পাকিস্তান ১৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ৭ উইকেটের কষ্টার্জিত জয়। ভোটের মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটকে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য করতে সরকারের নিরাপত্তা প্রস্তুতি। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বিডিআর নাম ফিরিয়ে আনা হবে: তারেক রহমান। পাশা’র নির্বাচন পর্যবেক্ষক কার্ড বিতরণ স্থগিত: ডেপুটি প্রেস সচিব। শিক্ষা সফরে গিয়ে যুবকের সঙ্গে পালাল স্কুলছাত্রী : ৫ দিন পর উদ্ধার। জনভোগান্তি বিবেচনায় শাহবাগ মোড় ছাড়লেন জুলাই ঐক্যের নেতাকর্মীরা।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটকে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য করতে সরকারের নিরাপত্তা প্রস্তুতি।

  • প্রকাশের সময় : ১৯ ঘন্টা আগে
  • ১৬ পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক।

দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপড়েন, অনিশ্চয়তা ও নানা শঙ্কা পেরিয়ে বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র ৫ দিন বাকি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটকে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য করতে সরকারের নিরাপত্তা প্রস্তুতিএখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে। পুলিশ, স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ) বা বিলুপ্ত র‍্যাব, বিজিবি ও কোস্টগার্ডের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর লক্ষাধিক সদস্য ইতোমধ্যে দেশজুড়ে মাঠে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন।

সেনা সদর বলছে, ভোটকেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সম্ভাব্য ঝুঁকি, সহিংসতা ও নাশকতার আশঙ্কা বিবেচনায় নিয়ে আগাম থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট সম্পন্ন করেই নিরাপত্তা পরিকল্পনা ও বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ভোটারদের নির্বিঘ্ন উপস্থিতি নিশ্চিত করা, ব্যালট বাক্স ও নির্বাচনি সরঞ্জাম সুরক্ষা এবং যেকোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি কঠোরভাবে মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুত রয়েছে সশস্ত্র বাহিনী।

মাঠপর্যায়ে প্রস্তুতি

নির্বাচন ঘিরে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে সাড়া দিতে প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। সারা দেশে প্রায় ৪৩ হাজার ভোট কেন্দ্রের পাহারায় সেনাবাহিনীর ৫৪৪টি ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এসব ক্যাম্প থেকে ২৪ ঘণ্টা টহল, মোবাইল পেট্রোলিং ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া টিম পরিচালিত হচ্ছে। সেনা কর্মকর্তারা বলছেন, যেকোনও তথ্য বা অভিযোগ পেলে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে ‘রেসপন্স টাইম’ কমিয়ে আনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনীর লক্ষাধিক সদস্যসহ সবগুলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্তত ৮ লাখ সদস্য ভোটের পাহারাদার হিসেবে কাজ করবে।

আমাদের ঠিকানা।

জনপ্রিয়

আবারও চট্রগ্রাম বন্দরে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটকে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য করতে সরকারের নিরাপত্তা প্রস্তুতি।

প্রকাশের সময় : ১৯ ঘন্টা আগে

নিউজ ডেস্ক।

দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপড়েন, অনিশ্চয়তা ও নানা শঙ্কা পেরিয়ে বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র ৫ দিন বাকি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটকে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য করতে সরকারের নিরাপত্তা প্রস্তুতিএখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে। পুলিশ, স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ) বা বিলুপ্ত র‍্যাব, বিজিবি ও কোস্টগার্ডের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর লক্ষাধিক সদস্য ইতোমধ্যে দেশজুড়ে মাঠে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন।

সেনা সদর বলছে, ভোটকেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সম্ভাব্য ঝুঁকি, সহিংসতা ও নাশকতার আশঙ্কা বিবেচনায় নিয়ে আগাম থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট সম্পন্ন করেই নিরাপত্তা পরিকল্পনা ও বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ভোটারদের নির্বিঘ্ন উপস্থিতি নিশ্চিত করা, ব্যালট বাক্স ও নির্বাচনি সরঞ্জাম সুরক্ষা এবং যেকোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি কঠোরভাবে মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুত রয়েছে সশস্ত্র বাহিনী।

মাঠপর্যায়ে প্রস্তুতি

নির্বাচন ঘিরে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে সাড়া দিতে প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। সারা দেশে প্রায় ৪৩ হাজার ভোট কেন্দ্রের পাহারায় সেনাবাহিনীর ৫৪৪টি ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এসব ক্যাম্প থেকে ২৪ ঘণ্টা টহল, মোবাইল পেট্রোলিং ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া টিম পরিচালিত হচ্ছে। সেনা কর্মকর্তারা বলছেন, যেকোনও তথ্য বা অভিযোগ পেলে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে ‘রেসপন্স টাইম’ কমিয়ে আনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনীর লক্ষাধিক সদস্যসহ সবগুলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্তত ৮ লাখ সদস্য ভোটের পাহারাদার হিসেবে কাজ করবে।

আমাদের ঠিকানা।