, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

থার্ড টার্মিনালের দায়িত্ব পাচ্ছেন জাপান।

  • প্রকাশের সময় : ৪ ঘন্টা আগে
  • ৩ পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক।

ব্যবস্থাপনায় যুক্ত হয়েছে সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি ও ব্যাংককের সুবর্ণভূমি বিমানবন্দরের আদলে তিনটি বিশেষ স্টোরেজ এরিয়া—রেগুলার ব্যাগেজ স্টোরেজ, লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড এবং অতিরিক্ত ওজনের (ওড সাইজ) ব্যাগেজ স্টোরেজ। মালামাল সংগ্রহের জন্য ১৬টি নিয়মিত বেল্টের পাশাপাশি অতিরিক্ত ওজনের ব্যাগেজের জন্য আরও ৪টি পৃথক বেল্ট স্থাপন করা হয়েছে।

পরিবার ও শিশুসেবা: যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে প্রতিটি ওয়াশরুমের পাশেই নির্মাণ করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন ‘বেবি কেয়ার লাউঞ্জ’। যেখানে মায়েদের জন্য ব্রেস্ট ফিডিং বুথ, ডায়াপার পরিবর্তনের ব্যবস্থা এবং শিশুদের জন্য স্লিপার-দোলনাসহ একটি সুপরিসর প্লে-এরিয়া রাখা হয়েছে।

স্বয়ংক্রিয় চেক-ইন ও স্বাস্থ্যসেবা: টার্মিনালে থাকছে ১০টি স্বয়ংক্রিয় ‘সেলফ চেক-ইন কিওস্ক’, যেখানে পাসপোর্ট ও টিকিটের তথ্য দিলে নিমিষেই বোর্ডিং পাস ও সিট নম্বর চলে আসবে। এরপর স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতেই যাত্রীর লাগেজ নির্ধারিত বিমানে পৌঁছে যাবে (সর্বোচ্চ ৩০ কেজি)। এছাড়া সাধারণ যাত্রীদের জন্য আরও ১০০টি চেক-ইন কাউন্টার প্রস্তুত রয়েছে। স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় এখানে ফার্স্ট-এইড রুমের পাশাপাশি হেলথ ইন্সপেকশন ও আইসোলেশন এরিয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

বিনোদন ও লাউঞ্জ সুবিধা: যাত্রীদের অপেক্ষার সময়কে আনন্দদায়ক করতে দ্রুতই চালু করা হচ্ছে মুভি লাউঞ্জ ও এয়ারলাইনস লাউঞ্জ। অন্যান্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধাগুলো ইতোমধ্যে স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে, যা এই টার্মিনালকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা বিমানবন্দরে রূপান্তর করবে।

২০১৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর শাহজালাল বিমানবন্দরের এই মেগা প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রকল্পের ৯৯ শতাংশের বেশি কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর ২০২৩ সালের অক্টোবরে এর ‘সফট ওপেনিং’ করা হয়েছিল। তবে টার্মিনাল ব্যবস্থাপনা, পরিচালনা নিয়ন্ত্রণ এবং আয়ের অংশীদারত্ব নিয়ে জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারায় গত দুই বছর ধরে এর কার্যক্রম স্থবির হয়ে ছিল। অভিযোগ রয়েছে, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের একগুঁয়েমি ও আলোচনার অদূরদর্শিতার কারণে একপর্যায়ে জাপান এই প্রক্রিয়া থেকে দূরে সরে যায়।

এই জটিল পরিস্থিতিতে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর পরই থার্ড টার্মিনাল দ্রুত চালুর বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেন এবং জাপানের সঙ্গে পুনরায় ফলপ্রসূ আলোচনার নির্দেশনা প্রদান করেন। তার এই উদ্যোগ ও নির্দেশনার প্রেক্ষিতেই গত শুক্রবার ঢাকায় উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যা থার্ড টার্মিনাল চালুর ক্ষেত্রে নতুন আশার আলো সঞ্চার করেছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ডিসেম্বরের মধ্যে টার্মিনালটি পূর্ণাঙ্গভাবে সচল হলে দেশের অর্থনীতি ও পর্যটন খাতে এক নতুন মাইলফলক স্থাপিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা

আমাদের ঠিকানা নিউজ।

 

থার্ড টার্মিনালের দায়িত্ব পাচ্ছেন জাপান।

প্রকাশের সময় : ৪ ঘন্টা আগে

নিউজ ডেস্ক।

ব্যবস্থাপনায় যুক্ত হয়েছে সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি ও ব্যাংককের সুবর্ণভূমি বিমানবন্দরের আদলে তিনটি বিশেষ স্টোরেজ এরিয়া—রেগুলার ব্যাগেজ স্টোরেজ, লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড এবং অতিরিক্ত ওজনের (ওড সাইজ) ব্যাগেজ স্টোরেজ। মালামাল সংগ্রহের জন্য ১৬টি নিয়মিত বেল্টের পাশাপাশি অতিরিক্ত ওজনের ব্যাগেজের জন্য আরও ৪টি পৃথক বেল্ট স্থাপন করা হয়েছে।

পরিবার ও শিশুসেবা: যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে প্রতিটি ওয়াশরুমের পাশেই নির্মাণ করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন ‘বেবি কেয়ার লাউঞ্জ’। যেখানে মায়েদের জন্য ব্রেস্ট ফিডিং বুথ, ডায়াপার পরিবর্তনের ব্যবস্থা এবং শিশুদের জন্য স্লিপার-দোলনাসহ একটি সুপরিসর প্লে-এরিয়া রাখা হয়েছে।

স্বয়ংক্রিয় চেক-ইন ও স্বাস্থ্যসেবা: টার্মিনালে থাকছে ১০টি স্বয়ংক্রিয় ‘সেলফ চেক-ইন কিওস্ক’, যেখানে পাসপোর্ট ও টিকিটের তথ্য দিলে নিমিষেই বোর্ডিং পাস ও সিট নম্বর চলে আসবে। এরপর স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতেই যাত্রীর লাগেজ নির্ধারিত বিমানে পৌঁছে যাবে (সর্বোচ্চ ৩০ কেজি)। এছাড়া সাধারণ যাত্রীদের জন্য আরও ১০০টি চেক-ইন কাউন্টার প্রস্তুত রয়েছে। স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় এখানে ফার্স্ট-এইড রুমের পাশাপাশি হেলথ ইন্সপেকশন ও আইসোলেশন এরিয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

বিনোদন ও লাউঞ্জ সুবিধা: যাত্রীদের অপেক্ষার সময়কে আনন্দদায়ক করতে দ্রুতই চালু করা হচ্ছে মুভি লাউঞ্জ ও এয়ারলাইনস লাউঞ্জ। অন্যান্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধাগুলো ইতোমধ্যে স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে, যা এই টার্মিনালকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা বিমানবন্দরে রূপান্তর করবে।

২০১৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর শাহজালাল বিমানবন্দরের এই মেগা প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রকল্পের ৯৯ শতাংশের বেশি কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর ২০২৩ সালের অক্টোবরে এর ‘সফট ওপেনিং’ করা হয়েছিল। তবে টার্মিনাল ব্যবস্থাপনা, পরিচালনা নিয়ন্ত্রণ এবং আয়ের অংশীদারত্ব নিয়ে জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারায় গত দুই বছর ধরে এর কার্যক্রম স্থবির হয়ে ছিল। অভিযোগ রয়েছে, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের একগুঁয়েমি ও আলোচনার অদূরদর্শিতার কারণে একপর্যায়ে জাপান এই প্রক্রিয়া থেকে দূরে সরে যায়।

এই জটিল পরিস্থিতিতে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর পরই থার্ড টার্মিনাল দ্রুত চালুর বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেন এবং জাপানের সঙ্গে পুনরায় ফলপ্রসূ আলোচনার নির্দেশনা প্রদান করেন। তার এই উদ্যোগ ও নির্দেশনার প্রেক্ষিতেই গত শুক্রবার ঢাকায় উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যা থার্ড টার্মিনাল চালুর ক্ষেত্রে নতুন আশার আলো সঞ্চার করেছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ডিসেম্বরের মধ্যে টার্মিনালটি পূর্ণাঙ্গভাবে সচল হলে দেশের অর্থনীতি ও পর্যটন খাতে এক নতুন মাইলফলক স্থাপিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা

আমাদের ঠিকানা নিউজ।