, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
১০ দিনের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকবে হরমুজ প্রণালি খুলনায় ছুরিঘাতকে একজন নিহত ২ জন আহত। Eastern Refinery Limited (ইআরএল)-এর উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শাকিব খানের পরবর্তী সিনেমা ‘রকস্টার’ নিয়ে দর্শকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। কুমিল্লার দাউদকান্দিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন;বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। নববর্ষ প্রবেশের নববস্ত্র পরিধানদির একটা লক্ষণ। সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন জমা দিলেন এডভোকেট হাসনা হেনা। প্রধান মন্ত্রীর সফরের দিন-তারিখ ও সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। অনলাইন-অফলাইন পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বিডিআর নাম ফিরিয়ে আনা হবে: তারেক রহমান।

  • প্রকাশের সময় : ১০:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১১৬ পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক।

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে মুক্তিযুদ্ধে স্মৃতি বিজড়িত বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) নাম পুনর্বহাল করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ২০০৯ সালে বিডিআর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞের পর ফ্যাসিস্ট অপশক্তি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত বিডিআরের নাম পরিবর্তন করে দিয়েছিল। এমনকি তাদের ইউনিফর্ম পর্যন্ত পরিবর্তন করে ফেলা হয়েছে। আমি আপনাদের সামনে আমার একটি ব্যক্তিগত অনুভূতি শেয়ার করতে চাই, জনগণের রায়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে মুক্তিযুদ্ধে স্মৃতি বিজড়িত বিডিআরের নাম ও ইউনিফর্ম পুনর্বহাল করতে চাই। ভবিষ্যতে যাতে কখনোই এ ধরনের ঘটনা না ঘটে সেই লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে বিডিআর পিলখানা সেনা হত্যাযোগ দিবসটিকে ‘শহীদ সেনা দিবস’ অথবা ‘জাতীয় শোক দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।

শনিবার রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ও পিলখানায় শহীদ পরিবারের সদস্যদের মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘আপনাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় আমি এবং আমার স্ত্রী সত্যিকার অর্থেই কিছুটা স্মৃতিকাতর হয়ে পড়ি বা পড়ছি। বরাবরই সেনাবাহিনী বা সশস্ত্র বাহিনীকে আমার কাছে একটি বৃহত্তর পরিবার বলেই মনে হয় বা আমরা মনে করি। এর কারণ হয়তো সেনানিবাসে আমার এবং আমার পরিবারের বেড়ে ওঠা। অনেক ছোট বয়সে বাবাকে হারিয়েছি। তবে বড় হয়ে দেখেছি সেনাবাহিনীর প্রতি আমার মা মরহুমা খালেদা জিয়াও এক ধরনের নির্ভরতা ছিল, সম্মান ছিল। আমার মা সবসময় মনে করতেন দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের জন্য বাংলাদেশের অবশ্যই একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী থাকা দরকার।’

তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনীর হারানো গৌরব ফিরিয়ে দেওয়া হবে- আমি এ ধরনের কথা বলতে চাই না। বরং গৌরব ফিরিয়ে দেওয়া যায় না, গৌরব অর্জনের বিষয়, গৌরব ধারণ করার বিষয়। সেনাবাহিনীর গৌরব সেনাবাহিনীকে রক্ষা করতে হবে। সেনাবাহিনীর নিজেদের সম্মান এবং মর্যাদা সম্পর্কে নিজেদেরকে সতর্ক এবং সচেতন থাকতে হবে। একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে, একটি রাজনৈতিক দলের সদস্য হিসেবে আমি এতটুকু বলতে পারি জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠনে সক্ষম হলে সেনাবাহিনীকে অবশ্যই কোনোভাবেই রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। সেনাবাহিনীর গৌরব ভূলন্ঠিত হয়.. এমন কিছু বিএনপি অতীতেও করেনি, বর্তমানেও না এবং ইনশাল্লাহ ভবিষ্যতেও বিএনপি করবে।

আমাদের ঠিকানা।

 

জনপ্রিয়

১০ দিনের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকবে হরমুজ প্রণালি

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বিডিআর নাম ফিরিয়ে আনা হবে: তারেক রহমান।

প্রকাশের সময় : ১০:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিউজ ডেস্ক।

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে মুক্তিযুদ্ধে স্মৃতি বিজড়িত বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) নাম পুনর্বহাল করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ২০০৯ সালে বিডিআর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞের পর ফ্যাসিস্ট অপশক্তি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত বিডিআরের নাম পরিবর্তন করে দিয়েছিল। এমনকি তাদের ইউনিফর্ম পর্যন্ত পরিবর্তন করে ফেলা হয়েছে। আমি আপনাদের সামনে আমার একটি ব্যক্তিগত অনুভূতি শেয়ার করতে চাই, জনগণের রায়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে মুক্তিযুদ্ধে স্মৃতি বিজড়িত বিডিআরের নাম ও ইউনিফর্ম পুনর্বহাল করতে চাই। ভবিষ্যতে যাতে কখনোই এ ধরনের ঘটনা না ঘটে সেই লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে বিডিআর পিলখানা সেনা হত্যাযোগ দিবসটিকে ‘শহীদ সেনা দিবস’ অথবা ‘জাতীয় শোক দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।

শনিবার রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ও পিলখানায় শহীদ পরিবারের সদস্যদের মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘আপনাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় আমি এবং আমার স্ত্রী সত্যিকার অর্থেই কিছুটা স্মৃতিকাতর হয়ে পড়ি বা পড়ছি। বরাবরই সেনাবাহিনী বা সশস্ত্র বাহিনীকে আমার কাছে একটি বৃহত্তর পরিবার বলেই মনে হয় বা আমরা মনে করি। এর কারণ হয়তো সেনানিবাসে আমার এবং আমার পরিবারের বেড়ে ওঠা। অনেক ছোট বয়সে বাবাকে হারিয়েছি। তবে বড় হয়ে দেখেছি সেনাবাহিনীর প্রতি আমার মা মরহুমা খালেদা জিয়াও এক ধরনের নির্ভরতা ছিল, সম্মান ছিল। আমার মা সবসময় মনে করতেন দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের জন্য বাংলাদেশের অবশ্যই একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী থাকা দরকার।’

তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনীর হারানো গৌরব ফিরিয়ে দেওয়া হবে- আমি এ ধরনের কথা বলতে চাই না। বরং গৌরব ফিরিয়ে দেওয়া যায় না, গৌরব অর্জনের বিষয়, গৌরব ধারণ করার বিষয়। সেনাবাহিনীর গৌরব সেনাবাহিনীকে রক্ষা করতে হবে। সেনাবাহিনীর নিজেদের সম্মান এবং মর্যাদা সম্পর্কে নিজেদেরকে সতর্ক এবং সচেতন থাকতে হবে। একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে, একটি রাজনৈতিক দলের সদস্য হিসেবে আমি এতটুকু বলতে পারি জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠনে সক্ষম হলে সেনাবাহিনীকে অবশ্যই কোনোভাবেই রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। সেনাবাহিনীর গৌরব ভূলন্ঠিত হয়.. এমন কিছু বিএনপি অতীতেও করেনি, বর্তমানেও না এবং ইনশাল্লাহ ভবিষ্যতেও বিএনপি করবে।

আমাদের ঠিকানা।