, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কালামিয়াবাজারে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ও ইফতার সামগ্রী না পেয়ে হালি হাতে ফিরলেন অসহায় মানুষগুলো। নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন: মোস্তাকুর রহমান। কারওয়ান বাজারে ট্র্যাফিক সিগন্যালে রাষ্ট্র পতি। মবের আশঙ্কা নেই, তবুও প্রস্তুতি রাখবো : অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার। আগামী ৩ মার্চ থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ডিএমপি নতুন কমিশনার কে হচ্ছেন। পিলখানা ট্র্যাজেডি, আসামি করা হচ্ছে হাসিনাসহ আওয়ামী মন্ত্রী-এমপিদের। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নতুন করে কোনো তদন্ত কমিশন হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জুলাইযোদ্ধাদের পুনর্বাসনে যথাযথ ও দ্রুত পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ।

কালামিয়াবাজারে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ও ইফতার সামগ্রী না পেয়ে হালি হাতে ফিরলেন অসহায় মানুষগুলো।

  • প্রকাশের সময় : ৭ মিনিট আগে
  • ০ পড়া হয়েছে

কাজী জাহাঙ্গীর: চট্রগ্রাম।

নগরীর চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের উপস্থিতিতে বাকলিয়া থানাধীন কালামিয়া বাজারে ইফতার ও সাহরি সামগ্রী বিতরণের নামে এলাকাবাসীর সাথে চরম প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। ‘মরহুম ইসমাইল স্মৃতি ফাউন্ডেশন’ আয়োজিত এই কর্মসূচিতে কার্ডধারী শত শত মানুষ দীর্ঘক্ষণ তীব্র রোদের মধ্যে অপেক্ষা করেও কোনো সামগ্রী না পেয়ে খালি হাতে বাড়ি ফিরেছেন। এই ঘটনায় (চসিক)শাহাদাৎ হোসেন ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের ইমেজ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

ফটোসেশন শেষেই উধাও ‘ত্রাণ’

প্রত্যক্ষদর্শী ও মানবতা ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আজ ২৭ ফেব্রুয়ারী দুপুর ২.৩০ মিনিট থেকে ঘন্টার পর ঘন্টা খোলা আকাশের নিচে কড়া রোদে বসিয়ে রেখে কালো পলিতিনে করে ২ কেজি চাউল, চনা ১ কেজি, চিড়া ৫০০ গ্রাম বিতরণের নামে ওয়ার্ড যুবদলের তত্ত্বাবধানে কালামিয়া বাজারে মঞ্চ

সাজিয়ে ঘটা করে ইফতার ও সাহরি সামগ্রী বিতরণের আয়োজন করা হয়। চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, মেয়র মঞ্চ ত্যাগ করার পরপরই আয়োজকরা বিতরণ কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। কার্ডধারী অনেক অসহায় মানুষ সারাদিন রোজা রেখে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাদের ভাগ্যে জোটেনি কোনো ইফতার সামগ্রী।

এলাকাবাসীর অভিযোগ ও ক্ষোভ

এলাকাবাসীর দাবি, গত বছরও একইভাবে কার্ড দিয়ে মানুষকে হয়রানি করা হয়েছিল। এবারও একদল ‘নাবালক রাজনৈতিক কর্মী’ ও ‘গলাবাজ’ পাতি নেতার অতি উৎসাহে সাধারণ মানুষকে ডেকে এনে কেবল ফটোসেশন করা হয়েছে। স্থানীয় এক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন:

“সারাদিন রোজা রেখে কার্ড হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলাম। ডাক্তার সাহেব (মেয়র) ছবি তুলে চলে যাওয়ার পরই জানানো হলো মালামাল শেষ। এটা মানুষের সাথে স্রেফ বাটপারি ছাড়া আর কিছু নয়।”

প্রশ্নের মুখে মেয়রের ভূমিকা

মরহুম ইসমাইল ছিলেন বাকলিয়ার একজন ভালো রাজনীতিবিদ। তাঁর নামে গঠিত ফাউন্ডেশন ব্যবহার করে এলাকাবাসীর সাথে এমন প্রতারণা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না স্থানীয়রা। সচেতন মহলের মতে, অতি উৎসাহী কিছু কর্মীর পাতানো ফাঁদে পড়ে চসিক মেয়র নিজের ইমেজ নষ্ট করছেন। চসিকের আইনের মারপেঁচের মেয়র হিসেবে এই প্রতারণার দায় তিনি কোনোভাবেই এড়াতে পারেন না বলে মনে করেন সাধারণ ভোটাররা।

জবাব চান ভুক্তভোগীরা

ইফতার ও সাহরি সামগ্রী বিতরণের নামে এই তথাকথিত ‘প্রতারণা’ নিয়ে কালামিয়া বাজার এলাকায় বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। কার্ড নিয়ে অসহায় মানুষ ইফতার সামগ্রী না পাওয়ায় হামলায়ও জড়িয়েছে কিছু বঞ্চিত অসহায়। এলাকাবাসী সরাসরি মেয়র ও স্থানীয় এমপি জনাব আবু সুফিয়ান এর কাছে এই ঘটনার সঠিক ব্যাখ্যা এবং জবাব চেয়েছেন। একই সাথে ডা. শাহাদাত হোসেনের উচিত এ ধরনের বিতর্কিত কর্মসূচি ও স্বার্থান্বেষী মহলের ইন্ধন বয়কট করা।

আমাদের ঠিকানা নিউজ। 

কালামিয়াবাজারে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ও ইফতার সামগ্রী না পেয়ে হালি হাতে ফিরলেন অসহায় মানুষগুলো।

কালামিয়াবাজারে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ও ইফতার সামগ্রী না পেয়ে হালি হাতে ফিরলেন অসহায় মানুষগুলো।

প্রকাশের সময় : ৭ মিনিট আগে

কাজী জাহাঙ্গীর: চট্রগ্রাম।

নগরীর চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের উপস্থিতিতে বাকলিয়া থানাধীন কালামিয়া বাজারে ইফতার ও সাহরি সামগ্রী বিতরণের নামে এলাকাবাসীর সাথে চরম প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। ‘মরহুম ইসমাইল স্মৃতি ফাউন্ডেশন’ আয়োজিত এই কর্মসূচিতে কার্ডধারী শত শত মানুষ দীর্ঘক্ষণ তীব্র রোদের মধ্যে অপেক্ষা করেও কোনো সামগ্রী না পেয়ে খালি হাতে বাড়ি ফিরেছেন। এই ঘটনায় (চসিক)শাহাদাৎ হোসেন ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের ইমেজ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

ফটোসেশন শেষেই উধাও ‘ত্রাণ’

প্রত্যক্ষদর্শী ও মানবতা ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আজ ২৭ ফেব্রুয়ারী দুপুর ২.৩০ মিনিট থেকে ঘন্টার পর ঘন্টা খোলা আকাশের নিচে কড়া রোদে বসিয়ে রেখে কালো পলিতিনে করে ২ কেজি চাউল, চনা ১ কেজি, চিড়া ৫০০ গ্রাম বিতরণের নামে ওয়ার্ড যুবদলের তত্ত্বাবধানে কালামিয়া বাজারে মঞ্চ

সাজিয়ে ঘটা করে ইফতার ও সাহরি সামগ্রী বিতরণের আয়োজন করা হয়। চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, মেয়র মঞ্চ ত্যাগ করার পরপরই আয়োজকরা বিতরণ কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। কার্ডধারী অনেক অসহায় মানুষ সারাদিন রোজা রেখে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাদের ভাগ্যে জোটেনি কোনো ইফতার সামগ্রী।

এলাকাবাসীর অভিযোগ ও ক্ষোভ

এলাকাবাসীর দাবি, গত বছরও একইভাবে কার্ড দিয়ে মানুষকে হয়রানি করা হয়েছিল। এবারও একদল ‘নাবালক রাজনৈতিক কর্মী’ ও ‘গলাবাজ’ পাতি নেতার অতি উৎসাহে সাধারণ মানুষকে ডেকে এনে কেবল ফটোসেশন করা হয়েছে। স্থানীয় এক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন:

“সারাদিন রোজা রেখে কার্ড হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলাম। ডাক্তার সাহেব (মেয়র) ছবি তুলে চলে যাওয়ার পরই জানানো হলো মালামাল শেষ। এটা মানুষের সাথে স্রেফ বাটপারি ছাড়া আর কিছু নয়।”

প্রশ্নের মুখে মেয়রের ভূমিকা

মরহুম ইসমাইল ছিলেন বাকলিয়ার একজন ভালো রাজনীতিবিদ। তাঁর নামে গঠিত ফাউন্ডেশন ব্যবহার করে এলাকাবাসীর সাথে এমন প্রতারণা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না স্থানীয়রা। সচেতন মহলের মতে, অতি উৎসাহী কিছু কর্মীর পাতানো ফাঁদে পড়ে চসিক মেয়র নিজের ইমেজ নষ্ট করছেন। চসিকের আইনের মারপেঁচের মেয়র হিসেবে এই প্রতারণার দায় তিনি কোনোভাবেই এড়াতে পারেন না বলে মনে করেন সাধারণ ভোটাররা।

জবাব চান ভুক্তভোগীরা

ইফতার ও সাহরি সামগ্রী বিতরণের নামে এই তথাকথিত ‘প্রতারণা’ নিয়ে কালামিয়া বাজার এলাকায় বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। কার্ড নিয়ে অসহায় মানুষ ইফতার সামগ্রী না পাওয়ায় হামলায়ও জড়িয়েছে কিছু বঞ্চিত অসহায়। এলাকাবাসী সরাসরি মেয়র ও স্থানীয় এমপি জনাব আবু সুফিয়ান এর কাছে এই ঘটনার সঠিক ব্যাখ্যা এবং জবাব চেয়েছেন। একই সাথে ডা. শাহাদাত হোসেনের উচিত এ ধরনের বিতর্কিত কর্মসূচি ও স্বার্থান্বেষী মহলের ইন্ধন বয়কট করা।

আমাদের ঠিকানা নিউজ।