, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এলপিজি আমদানিতে ঋণ সুবিধা নিয়ে নতুন নির্দেশনা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের।

  • প্রকাশের সময় : ০৬:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১১৮ পড়া হয়েছে

facebook sharing button

দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা এবং আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করতে শিল্প কাঁচামাল হিসেবে এলপিজি আমদানিতে বড় ধরনের নীতি সহায়তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এর আগে রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ (এফইপিডি) এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস সাধারণত বাল্ক আকারে আমদানি করা হয় এবং পরবর্তীতে গার্হস্থ্য ব্যবহারের জন্য সিলিন্ডারে বোতলজাত করা হয়। ফলে এলপিজি আমদানির পর সংরক্ষণ, বোতলজাতকরণ এবং সংশ্লিষ্ট পরিচালন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে স্থানীয় আমদানিকারকদের একটি নির্দিষ্ট সময় প্রয়োজন হয়।

এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করেছে যে, এলপিজি সরবরাহকারী বা ক্রেতার ঋণের অধীনে আমদানির জন্য যোগ্য একটি শিল্প কাঁচামাল হিসেবে বিবেচিত হবে। সে অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত ব্যবহারের শর্তে এলপিজি আমদানির অনুমতি দেয়া যেতে পারে।

এছাড়া, সরবরাহকারীদের কাছ থেকে ট্রেড ক্রেডিট গ্রহণের পাশাপাশি অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে-প্রযোজ্য বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত বিধি ও বিচক্ষণ ঋণনীতির আওতায় বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রেতার ক্রেডিট সুবিধা নেয়ার ব্যবস্থা করতে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের তফসিলি ব্যাংকগুলোর অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের (ওবিইউ) মাধ্যমে বিল ডিসকাউন্টিং সুবিধাও গ্রহণ করা যেতে পারে।

আমাদের ঠিকানা।

এলপিজি আমদানিতে ঋণ সুবিধা নিয়ে নতুন নির্দেশনা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের।

প্রকাশের সময় : ০৬:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

facebook sharing button

দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা এবং আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করতে শিল্প কাঁচামাল হিসেবে এলপিজি আমদানিতে বড় ধরনের নীতি সহায়তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এর আগে রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ (এফইপিডি) এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস সাধারণত বাল্ক আকারে আমদানি করা হয় এবং পরবর্তীতে গার্হস্থ্য ব্যবহারের জন্য সিলিন্ডারে বোতলজাত করা হয়। ফলে এলপিজি আমদানির পর সংরক্ষণ, বোতলজাতকরণ এবং সংশ্লিষ্ট পরিচালন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে স্থানীয় আমদানিকারকদের একটি নির্দিষ্ট সময় প্রয়োজন হয়।

এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করেছে যে, এলপিজি সরবরাহকারী বা ক্রেতার ঋণের অধীনে আমদানির জন্য যোগ্য একটি শিল্প কাঁচামাল হিসেবে বিবেচিত হবে। সে অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত ব্যবহারের শর্তে এলপিজি আমদানির অনুমতি দেয়া যেতে পারে।

এছাড়া, সরবরাহকারীদের কাছ থেকে ট্রেড ক্রেডিট গ্রহণের পাশাপাশি অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে-প্রযোজ্য বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত বিধি ও বিচক্ষণ ঋণনীতির আওতায় বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রেতার ক্রেডিট সুবিধা নেয়ার ব্যবস্থা করতে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের তফসিলি ব্যাংকগুলোর অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের (ওবিইউ) মাধ্যমে বিল ডিসকাউন্টিং সুবিধাও গ্রহণ করা যেতে পারে।

আমাদের ঠিকানা।