, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে ক্রেতা সমাগম আগের রূপে ফিরেনি। রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি দাবী আইনজীবীর। ৩৮ হাজার মামলায় ৯ কোটি টাকা জরিমানা। এমপি হতে হান্নান মাসউদ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সুবিধা নিয়েছিলেন। মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পরিত্যক্ত মর্টার শেল বিস্ফোরণে এক কিশোর নিহত। নতুন এক ঐতিহাসিক অর্জন যোগ হলো লিওনেল মেসির। স্বেচ্ছায় প্রেমের টানে ঘর ছেড়ে সংসার পেতেছে বলে পুলিশের তদন্তে। মেক্সিকোর তরুণ তুর্কি গিলবার্তো মোরার বয়স হবে ১৭ বছর ২৪০ দিন। প্রধান মন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির সাক্ষাৎ। আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট।

জুলাইয়ে তরুণরা যা করেছে, তা চিরস্মরণীয়: প্রধান উপদেষ্টা।

  • প্রকাশের সময় : ০৭:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
  • ১৯৭ পড়া হয়েছে

জুলাইয়ে তরুণরা যা করেছে, তা চিরস্মরণীয়: প্রধান উপদেষ্টা।

নিউজ ডেস্ক।

মঙ্গলবার ১৫ জুলাই ২০২৫

২০২৪ সালের জুলাইয়ে আমাদের তরুণরা যা করেছে, তা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস।রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সোমবার (১৪ জুলাই) রাতে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের সদ্য নিযুক্ত ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জুটের সঙ্গে সাক্ষাতে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

জোহানেস জুটকে তিনি বলেন, আমরা যখন দায়িত্ব গ্রহণ করি, তখন দেশ ধ্বংসস্তূপের মত ছিল, যেন তা ভূমিকম্প পরবর্তী ভয়াবহ পরিস্থিতি। আমাদের কোনও অভিজ্ঞতা ছিল না। তবুও সকল উন্নয়ন সহযোগী আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল। এটা আমাদের অনেক সহায়তা করেছে, আমাদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে।

প্রধান উপদেষ্টা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে তরুণদের ভূমিকা তুলে ধরে বলেন, তারা জাতিকে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখিয়েছে। জুলাইয়ে তরুণরা যা করেছে, তা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বিশেষ করে আমাদের মেয়েরা ও নারীরা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। তরুণরাই আমাদের দেশের কেন্দ্রবিন্দু। আমাদেরকে তাদের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে হবে।

এ সময় ড. ইউনূস বিশ্বব্যাংককে আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশকে যেন তারা শুধুমাত্র ‘একটি ভৌগোলিক সীমানা’ হিসেবে না দেখে বৃহত্তর অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে বিবেচনা করে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সমৃদ্ধ হলে গোটা দক্ষিণ এশিয়া সমৃদ্ধ হবে। আমরা যদি নিজেদের আলাদা করি, তাহলে উন্নয়ন হবে না। আমাদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সুবিধা ও পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে হবে। আমাদের একটি সমুদ্র আছে, যা আমাদের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, অনেক দেশেই তরুণদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে, তাই আমরা তাদের বলেছি—তাদের কারখানাগুলো এখানে নিয়ে আসুক। আমরা শিল্পখাতে প্রয়োজনীয় সবকিছু সরবরাহ করবো, যেন বাংলাদেশ একটি উৎপাদন কেন্দ্র হয়ে ওঠে।

আমাদের ঠিকানা।

রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে ক্রেতা সমাগম আগের রূপে ফিরেনি।

জুলাইয়ে তরুণরা যা করেছে, তা চিরস্মরণীয়: প্রধান উপদেষ্টা।

প্রকাশের সময় : ০৭:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

জুলাইয়ে তরুণরা যা করেছে, তা চিরস্মরণীয়: প্রধান উপদেষ্টা।

নিউজ ডেস্ক।

মঙ্গলবার ১৫ জুলাই ২০২৫

২০২৪ সালের জুলাইয়ে আমাদের তরুণরা যা করেছে, তা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস।রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সোমবার (১৪ জুলাই) রাতে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের সদ্য নিযুক্ত ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জুটের সঙ্গে সাক্ষাতে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

জোহানেস জুটকে তিনি বলেন, আমরা যখন দায়িত্ব গ্রহণ করি, তখন দেশ ধ্বংসস্তূপের মত ছিল, যেন তা ভূমিকম্প পরবর্তী ভয়াবহ পরিস্থিতি। আমাদের কোনও অভিজ্ঞতা ছিল না। তবুও সকল উন্নয়ন সহযোগী আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল। এটা আমাদের অনেক সহায়তা করেছে, আমাদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে।

প্রধান উপদেষ্টা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে তরুণদের ভূমিকা তুলে ধরে বলেন, তারা জাতিকে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখিয়েছে। জুলাইয়ে তরুণরা যা করেছে, তা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বিশেষ করে আমাদের মেয়েরা ও নারীরা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। তরুণরাই আমাদের দেশের কেন্দ্রবিন্দু। আমাদেরকে তাদের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে হবে।

এ সময় ড. ইউনূস বিশ্বব্যাংককে আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশকে যেন তারা শুধুমাত্র ‘একটি ভৌগোলিক সীমানা’ হিসেবে না দেখে বৃহত্তর অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে বিবেচনা করে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সমৃদ্ধ হলে গোটা দক্ষিণ এশিয়া সমৃদ্ধ হবে। আমরা যদি নিজেদের আলাদা করি, তাহলে উন্নয়ন হবে না। আমাদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সুবিধা ও পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে হবে। আমাদের একটি সমুদ্র আছে, যা আমাদের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, অনেক দেশেই তরুণদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে, তাই আমরা তাদের বলেছি—তাদের কারখানাগুলো এখানে নিয়ে আসুক। আমরা শিল্পখাতে প্রয়োজনীয় সবকিছু সরবরাহ করবো, যেন বাংলাদেশ একটি উৎপাদন কেন্দ্র হয়ে ওঠে।

আমাদের ঠিকানা।