, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
১০ দিনের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকবে হরমুজ প্রণালি খুলনায় ছুরিঘাতকে একজন নিহত ২ জন আহত। Eastern Refinery Limited (ইআরএল)-এর উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শাকিব খানের পরবর্তী সিনেমা ‘রকস্টার’ নিয়ে দর্শকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। কুমিল্লার দাউদকান্দিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন;বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। নববর্ষ প্রবেশের নববস্ত্র পরিধানদির একটা লক্ষণ। সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন জমা দিলেন এডভোকেট হাসনা হেনা। প্রধান মন্ত্রীর সফরের দিন-তারিখ ও সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। অনলাইন-অফলাইন পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

শিক্ষামন্ত্রী হচ্ছেন এহছানুল হক মিলন।

  • প্রকাশের সময় : ১১:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৮৬ পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন এহছানুল হক মিলন এবার শিক্ষা পূর্ণমন্ত্রী হচ্ছেন। তিনি গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লক্ষ ৩১ হাজার ৩শ’ ২৯ ভোট ও তার নিকটতমপ্রতিদ্ধন্দি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী পেয়েছিলেন ৬৬ হাজার ৭ শ’ ৮১ ভোট।

এই ব্যবধানের জয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে এবং এখন ড. আ ন এহছানুল হক মিলনকে শিক্ষা মন্ত্রী হচ্ছে বলে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, চায়ের দোকান, হাট-বাজার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পর্যন্ত আলোচনা চলছে।

ড. আ ন এহছানুল হক মিলন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যয়নরত অবস্থায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে যুক্ত হন। ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় থাকাকাল থেকেই তিনি নেতৃত্ব প্রদর্শন করেছেন। পরবর্তীতে বিএনপি’র আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯৬ সালে প্রথমবার বিপুল ভোটের মাধ্যমে সংসদ সদস্য, ২০০১ সালে সংসদ সদস্য ও ২০২৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বিশেষ করে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ৪ দলীয় জোটের সময়ে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দেশ ব্যাপী নকল দূরীকরণের মাধ্যমে বেশ আলোচিত ছিলো।

এলাকাবাসী জানান, ড. আ ন এহছানুল হক মিলনকে মন্ত্রিপরিষদের শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে আজ মঙ্গলবার শপথ নিবেন। তার সময়ে কচুয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এলাকার সড়ক ও ব্রিজ নির্মাণ, রাস্তাঘাট উন্নয়ন, পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ, টিউবওয়েল প্রদান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংস্কার ও নতুন ভবন নির্মাণের মতো ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়েছে।কচুয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক মো: শাহজালাল প্রধান জালাল বলেন, বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ড. আ ন এহছানুল হক মিলন তার জনপ্রিয়তার স্বাক্ষর রেখেছেন।

কচুয়া উত্তর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইউসুফ মিয়াজী বলেন, ড. আ ন এহছানুল হক মিলনকে মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়ার মাধ্যমে এই অঞ্চলের মানুষের আশা পূরণ হবে। এলাকার সর্বস্তরের মানুষ ও দলের নেতাকর্মীরা একযোগে তার মন্ত্রিত্বের দাবি তুলছেন।

আমাদের ঠিকানা।

 

জনপ্রিয়

১০ দিনের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকবে হরমুজ প্রণালি

শিক্ষামন্ত্রী হচ্ছেন এহছানুল হক মিলন।

প্রকাশের সময় : ১১:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন এহছানুল হক মিলন এবার শিক্ষা পূর্ণমন্ত্রী হচ্ছেন। তিনি গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লক্ষ ৩১ হাজার ৩শ’ ২৯ ভোট ও তার নিকটতমপ্রতিদ্ধন্দি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী পেয়েছিলেন ৬৬ হাজার ৭ শ’ ৮১ ভোট।

এই ব্যবধানের জয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে এবং এখন ড. আ ন এহছানুল হক মিলনকে শিক্ষা মন্ত্রী হচ্ছে বলে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, চায়ের দোকান, হাট-বাজার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পর্যন্ত আলোচনা চলছে।

ড. আ ন এহছানুল হক মিলন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যয়নরত অবস্থায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে যুক্ত হন। ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় থাকাকাল থেকেই তিনি নেতৃত্ব প্রদর্শন করেছেন। পরবর্তীতে বিএনপি’র আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯৬ সালে প্রথমবার বিপুল ভোটের মাধ্যমে সংসদ সদস্য, ২০০১ সালে সংসদ সদস্য ও ২০২৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বিশেষ করে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ৪ দলীয় জোটের সময়ে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দেশ ব্যাপী নকল দূরীকরণের মাধ্যমে বেশ আলোচিত ছিলো।

এলাকাবাসী জানান, ড. আ ন এহছানুল হক মিলনকে মন্ত্রিপরিষদের শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে আজ মঙ্গলবার শপথ নিবেন। তার সময়ে কচুয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এলাকার সড়ক ও ব্রিজ নির্মাণ, রাস্তাঘাট উন্নয়ন, পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ, টিউবওয়েল প্রদান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংস্কার ও নতুন ভবন নির্মাণের মতো ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়েছে।কচুয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক মো: শাহজালাল প্রধান জালাল বলেন, বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ড. আ ন এহছানুল হক মিলন তার জনপ্রিয়তার স্বাক্ষর রেখেছেন।

কচুয়া উত্তর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইউসুফ মিয়াজী বলেন, ড. আ ন এহছানুল হক মিলনকে মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়ার মাধ্যমে এই অঞ্চলের মানুষের আশা পূরণ হবে। এলাকার সর্বস্তরের মানুষ ও দলের নেতাকর্মীরা একযোগে তার মন্ত্রিত্বের দাবি তুলছেন।

আমাদের ঠিকানা।