
সমাজসেবক ও ধার্মিক ব্যক্তি শামসুল হকের ইন্তেকালে বিশিষ্টজনরা শো জানিয়েছেন।
চৌধুরী এমরান: চট্রগ্রাম।
চট্টগ্রামের বোয়ালখালী প্রেসক্লাবের সম্মানিত সদস্য সাংবাদিক মোঃ ফজলুর রহমান সম্রাট এর শ্রদ্ধেয় পিতা শামসুল হকের ইন্তেকালে উনার পরিবার, আত্মীয় -স্বজন ও এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।ছোট বেলা থেকেই তিনি সৎ,ধার্মিক,পরোপকারী ও মানবতাবাদী ছিলেন।খুব অল্প বয়সে তিনি চট্টগ্রাম থেকে উনার বড় দুই ভাইদের ব্যবসায়িক কর্মস্থল রাঙ্গামাটি জেলার লংগদু থানায় পাড়ি জমান।মানুষের প্রতি নিরঙ্কুশ ভালোবাসা উনাকে সমাজসেবক বানিয়ে দেয়।১৯৭৪ সালে তিনি মাইনীমুখ জামে মসজিদের সভাপতি হিসেবে দ্বায়িত্ব গ্রহণ করেন।উনার একক প্রচেষ্টায় মাইনীমুখ বাজারকে ৬০-৭০ দোকান থেকে সম্প্রসারণ করে ২০০/২২০ দোকানের বড় বাজারে রুপান্তর করেন।উনার জীবদ্দশায় বহু স্কুল, মাদ্রাসা, এতিমখানা ও মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে রাঙ্গামাটির ব্যবসায়িক অঙ্গনের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন ব্যবসায়িক সমিতির নেতৃত্ব দিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি একাধিক সামাজিক ও ইসলামী সংগঠনের সঙ্গেও সক্রিয়ভাবে যুক্ত থেকে সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন।
মৃত্যুকালে তিনি ৬ মেয়ে ও ৪ ছেলে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে স্থানীয় সামাজিক, ব্যবসায়িক ও ধর্মীয় মহলে শোকের ছায়া বিরাজ করছে।
বোয়ালখালী প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
সবার প্রত্যাশা, মহান আল্লাহ তাআলা যেন মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন এবং তাঁর পরিবারকে এই শোক সহ্য করার তাওফিক দান করেন। আমিন।
আমাদের ঠিকানা নিউজ।














