, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভোর হতে জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান চলছে। আজ সোমবার ভোর হতে সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশের প্রায় চার হাজার সদস্যের অংশগ্রহণে যৌথ এ অভিযান শুরু হয়।

অভিযানের বিষয়টি চট্টগ্রাম জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) মো. রাসেল  নিশ্চিত করেছেন। তিনি সকাল সাতটার দিকে এই কথা বলেন, ‘যৌথ বাহিনীর চার হাজার সদস্য অভিযানে রয়েছেন। অভিযানের বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

 

গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুরে অভিযান চালানোর সময় সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হন র‍্যাব-৭-এর উপসহকারী পরিচালক(নায়েব সুবেদার) মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া। এ ঘটনায় সীতাকুণ্ড থানায় মামলা করে র‍্যাব। এতে প্রধান আসামি করা হয় মোহাম্মদ ইয়াসিনকে। পরবর্তী সময়ে  সেখানে সমন্বিত অভিযান চালানোর বিষয়টি সামনে আসেও  জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে থাকায় ওই সময় আর অভিযান চালানো হয়নি

পুলিশ ও জঙ্গল সলিমপুরের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় দুটি সন্ত্রাসী পক্ষ রয়েছে। একটি পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন মোহাম্মদ ইয়াসিন এবং অপর পক্ষে রোকন উদ্দিন। ইয়াসিন বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সীতাকুণ্ডের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের নেতা এস এম আল মামুনের অনুসারী ছিলেন।

 

ভোর হতে জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান

প্রকাশের সময় : ৪ ঘন্টা আগে

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান চলছে। আজ সোমবার ভোর হতে সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশের প্রায় চার হাজার সদস্যের অংশগ্রহণে যৌথ এ অভিযান শুরু হয়।

অভিযানের বিষয়টি চট্টগ্রাম জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) মো. রাসেল  নিশ্চিত করেছেন। তিনি সকাল সাতটার দিকে এই কথা বলেন, ‘যৌথ বাহিনীর চার হাজার সদস্য অভিযানে রয়েছেন। অভিযানের বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

 

গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুরে অভিযান চালানোর সময় সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হন র‍্যাব-৭-এর উপসহকারী পরিচালক(নায়েব সুবেদার) মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া। এ ঘটনায় সীতাকুণ্ড থানায় মামলা করে র‍্যাব। এতে প্রধান আসামি করা হয় মোহাম্মদ ইয়াসিনকে। পরবর্তী সময়ে  সেখানে সমন্বিত অভিযান চালানোর বিষয়টি সামনে আসেও  জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে থাকায় ওই সময় আর অভিযান চালানো হয়নি

পুলিশ ও জঙ্গল সলিমপুরের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় দুটি সন্ত্রাসী পক্ষ রয়েছে। একটি পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন মোহাম্মদ ইয়াসিন এবং অপর পক্ষে রোকন উদ্দিন। ইয়াসিন বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সীতাকুণ্ডের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের নেতা এস এম আল মামুনের অনুসারী ছিলেন।