, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
প্রধান মন্ত্রীর সফরের দিন-তারিখ ও সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। অনলাইন-অফলাইন পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একজন পুলিশ সদস্যের প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা: আইজিপি। বিল পাস হওয়ার আগে জাতীয় এনসিপি সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ আপত্তি উত্থাপন করেন। আবু সাঈদ হত্যা মামলার ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত কাল রাত হতে ইন্টারনেটের সেবা আংশিক বিঘ্ন ঘটতে পারে। মামলার শুনানি শেষে আদালত থেকে নামানোর সময় সিঁড়িতে পড়ে যান সাবেক স্পিকার ড, শিরিন। বেতন ভাতার দাবীতে মহাসড়ক অবরোধ নাসা শ্রমিকদের। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হবে কি না বললেন জ্বালানিমন্ত্রী

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

  • প্রকাশের সময় : ৫ ঘন্টা আগে
  • ১৯ পড়া হয়েছে

কাজী জাহাঙ্গীর: চট্রগ্রাম।

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণাল। সকল অনুষ্ঠান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা দিয়ে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে উৎসবটি আনন্দঘন, শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন হয়।

এর আগে মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।

সভায় জানানো হয়, রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, হাতিরঝিল ও রবীন্দ্র সরোবরসহ দেশব্যাপী আয়োজিত সব নববর্ষের অনুষ্ঠান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শেষ করতে হবে। বিকেল ৫টার পর এসব এলাকায় নতুন করে দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবে না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী শোভাযাত্রার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা মুখোশ পরে অংশ নিতে পারবেন না, তবে হাতে বহন করা যাবে। এ ছাড়া মিছিল শুরু হওয়ার পর মাঝপথে কাউকে যোগ দিতে দেওয়া হবে না।

নিরাপত্তার স্বার্থে দেশব্যাপী ফানুস উড়ানো, আতশবাজি, গ্যাস বেলুন এবং ভুভুজেলা বাঁশি বাজানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ৩০০ ফিট এলাকায় মোটরসাইকেল বা গাড়ির রেসিং বন্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি, ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন, সিসিটিভি ক্যামেরা ও আর্চওয়ে বসানো হবে। ইভটিজিং, ছিনতাই ও পকেটমার প্রতিরোধে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হবে।

বড় অনুষ্ঠানস্থলগুলোতে ফায়ার সার্ভিসের অগ্নিনির্বাপক ইউনিট, অ্যাম্বুলেন্স ও মেডিকেল টিম প্রস্তুত থাকবে। রমনা লেকে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ডুবুরি দল মোতায়েন থাকবে।

এ ছাড়া পহেলা বৈশাখের দিন (১৪ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সংলগ্ন মেট্রোরেল স্টেশন নিরাপত্তার স্বার্থে বন্ধ রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। ১৩ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টার পর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় স্টিকারবিহীন কোনো যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না।

সাধারণ মানুষকে ব্যাগ, ব্যাকপ্যাক, দিয়াশলাই বা লাইটার বহন না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। শিশুদের সঙ্গে পরিচয়পত্র বা প্রয়োজনীয় তথ্য সংবলিত নোট রাখারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, বাঙালির ঐতিহ্যবাহী এই উৎসবকে নিরাপদ রাখতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবিসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

জনপ্রিয়

প্রধান মন্ত্রীর সফরের দিন-তারিখ ও সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

প্রকাশের সময় : ৫ ঘন্টা আগে

কাজী জাহাঙ্গীর: চট্রগ্রাম।

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণাল। সকল অনুষ্ঠান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা দিয়ে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে উৎসবটি আনন্দঘন, শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন হয়।

এর আগে মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।

সভায় জানানো হয়, রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, হাতিরঝিল ও রবীন্দ্র সরোবরসহ দেশব্যাপী আয়োজিত সব নববর্ষের অনুষ্ঠান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শেষ করতে হবে। বিকেল ৫টার পর এসব এলাকায় নতুন করে দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবে না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী শোভাযাত্রার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা মুখোশ পরে অংশ নিতে পারবেন না, তবে হাতে বহন করা যাবে। এ ছাড়া মিছিল শুরু হওয়ার পর মাঝপথে কাউকে যোগ দিতে দেওয়া হবে না।

নিরাপত্তার স্বার্থে দেশব্যাপী ফানুস উড়ানো, আতশবাজি, গ্যাস বেলুন এবং ভুভুজেলা বাঁশি বাজানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ৩০০ ফিট এলাকায় মোটরসাইকেল বা গাড়ির রেসিং বন্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি, ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন, সিসিটিভি ক্যামেরা ও আর্চওয়ে বসানো হবে। ইভটিজিং, ছিনতাই ও পকেটমার প্রতিরোধে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হবে।

বড় অনুষ্ঠানস্থলগুলোতে ফায়ার সার্ভিসের অগ্নিনির্বাপক ইউনিট, অ্যাম্বুলেন্স ও মেডিকেল টিম প্রস্তুত থাকবে। রমনা লেকে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ডুবুরি দল মোতায়েন থাকবে।

এ ছাড়া পহেলা বৈশাখের দিন (১৪ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সংলগ্ন মেট্রোরেল স্টেশন নিরাপত্তার স্বার্থে বন্ধ রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। ১৩ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টার পর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় স্টিকারবিহীন কোনো যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না।

সাধারণ মানুষকে ব্যাগ, ব্যাকপ্যাক, দিয়াশলাই বা লাইটার বহন না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। শিশুদের সঙ্গে পরিচয়পত্র বা প্রয়োজনীয় তথ্য সংবলিত নোট রাখারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, বাঙালির ঐতিহ্যবাহী এই উৎসবকে নিরাপদ রাখতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবিসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।