, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মুস্তাফিজ বিশ্বকাপে থাকলে নিরাপত্তার শঙ্কা বাড়বে—আইসিসির চিঠি। এলপিজি আমদানিতে ঋণ সুবিধা নিয়ে নতুন নির্দেশনা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের। পটিয়ার চরকানাই অলনাইট অলিম্পিকবার ফুটবল টুর্নামেন্টের মেগা ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী সম্পন্ন। বেগম খালেদা জিয়ার হত্যার দায় থেকে : হাসিনা কখনোই মুক্তি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন। আপোষহীন নেএী বেগম জিয়া সমাহিত হলো, স্বামীর পাশে। মহান একজন অভিভাবক হারাল জাতি: প্রধান উপদেষ্টা ড,ইউনুস। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সাত দিনব্যাপী শোক পালন করবে বিএনপি। সব চেষ্টা ব্যর্থ, হয়ে চলে গেলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। জাতীয় কবি নজরুলের পাশে হাদির সমাধি।

দুর্ভিক্ষ এলে জনগণ ছেড়ে দেবে না: রিজভী।

  • প্রকাশের সময় : ০৩:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫
  • ১০২ পড়া হয়েছে

দুর্ভিক্ষ এলে জনগণ ছেড়ে দেবে না: রিজভী

আমাদের ঠিকানা ডেস্ক

শুক্রবার ১১ জুলাই ২০২৫

আজ শুক্রবার (১১ জুলাই) সকালে নাপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় সামনে জিয়া পরিষদের উদ্যোগে সংগঠনের সভাপতি দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুল কুদ্দুসের রোগ মুক্তি কামনায় দুঃস্থদের মধ্যে জায়নামাজ বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে বৃহত্তর আদর্শের জন্য লড়াই করছে মন্তব্য করে রিজভী বলেন, আমরা বৃহত্তর আদর্শের জন্য লড়াই করছি। মানবিক, সাম্য, ন্যায় বিচারের জন্য লড়াই করছি। আইনের শাসনের জন্য লড়াই করছি যার জন্য দরকার চিরায়ত গণতন্ত্র, খাটি গণতন্ত্র। এটা বৃহত্তর আদর্শের লড়াই যেখানে জনগণের মালিকানা জনগণ ফিরে পাবে।

রিজভী বলেন, জনগণের সরকার ক্ষমতায় থাকলে প্রতিটি পদে পদে জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হয়। সেই জবাবদিহিতা এখন নেই। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকেও আমরা মনে করি জনসমর্থিত। কারণ সমস্ত রাজনৈতিক দল শুধু আওয়ামী লীগ আর তাদের কয়েকটি দোসর ছাড়া সবাই এই সরকারকে সমর্থন করেছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আমরা সবাই সমর্থন করে যাচ্ছি। কিন্তু এটাও তো ঠিক দুর্ভিক্ষের আলামত যদি আমরা দেখতে পাই, শুনতে পাই, তাহলে তো জনগণ আমাদের ছেড়ে দেবে না।

তিনি বলেন, আজ প্রায় অসংখ্য গার্মেন্টস বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, মানুষ কর্মহীন হচ্ছে। মানুষ যদি খাবার কিনতে না পারে তাহলে কিন্তু দুর্ভিক্ষের আলামত তৈরি হবে এবং কেউ-ই কিন্তু রেহাই পাবে না আর হাততালি দেবে ওই পতিত ফ্যাসিস্টরা।

রিজভী বলেন, যে দোসরা ব্যাংকের হাজার কোটি টাকা মেরে বিদেশে পাচার করেছে তাদের সঙ্গে নামে মাত্র কিছু প্রতিষ্ঠান একই কাজ করেছে। সরকার ইচ্ছা করলে এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রশাসক নিয়োগ করে সেই প্রতিষ্ঠানগুলো চালাতে পারে। গার্মেন্টসগুলো যাতে বন্ধ না হয় সরকার এটাকে নানাভাবে টেকওভার করতে পারে। দোসররা থেকে থাকলে তাদের বিচার করুন। শ্রমিকদের কলকারখানা যেন বন্ধ না হয়। কারণ, অর্থনীতির কঠিন করুণ অবস্থা। এটা শুধু মুখের কথা নয় সামনে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে দেশে দুর্ভিক্ষ হয় কিনা এইটা এখন মানুষের মনে মনে। আর্থিক শৃঙ্খলা ফেরাতে হবে এটা ঠিক কিন্তু পাশাপাশি কর্মসংস্থান বৃদ্ধি না করলে জনগণের কাছে কেউ-ই রেহাই পাবেন না।

রিজভী বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে তো সংস্কার বিরোধী কোনো কথা বলা হয়নি, সংস্কারের পক্ষেই বলা হয়েছে। আপনারা যে সংস্কারের কথা বলছেন, বিএনপির ৩১ দফার মধ্যে প্রায় অনেক জিনিসই প্রতিফলিত হয়েছে। জুলাই সনদের অনেক বিষয় বিএনপি গ্রহণ করেছে। কিন্তু এটি মূলনীতির মধ্যে নিতে হবে কেন? যুগে যুগে দেশে দেশে আরও সংস্কার হবে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, জিয়া পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ড. শফিকুর ইসলাম, মহাসচিব প্রফেসর ড. মো. এমতাজ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব কৃষিবিদ মনোয়ারুল ইসলাম এনাম, ইঞ্জি শরিফুজ্জামান খান শরিফ, আবুল কালাম আজাদ, এসএম কবীরসহ বিএনপি এবং জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

মুস্তাফিজ বিশ্বকাপে থাকলে নিরাপত্তার শঙ্কা বাড়বে—আইসিসির চিঠি।

দুর্ভিক্ষ এলে জনগণ ছেড়ে দেবে না: রিজভী।

প্রকাশের সময় : ০৩:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫

দুর্ভিক্ষ এলে জনগণ ছেড়ে দেবে না: রিজভী

আমাদের ঠিকানা ডেস্ক

শুক্রবার ১১ জুলাই ২০২৫

আজ শুক্রবার (১১ জুলাই) সকালে নাপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় সামনে জিয়া পরিষদের উদ্যোগে সংগঠনের সভাপতি দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুল কুদ্দুসের রোগ মুক্তি কামনায় দুঃস্থদের মধ্যে জায়নামাজ বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে বৃহত্তর আদর্শের জন্য লড়াই করছে মন্তব্য করে রিজভী বলেন, আমরা বৃহত্তর আদর্শের জন্য লড়াই করছি। মানবিক, সাম্য, ন্যায় বিচারের জন্য লড়াই করছি। আইনের শাসনের জন্য লড়াই করছি যার জন্য দরকার চিরায়ত গণতন্ত্র, খাটি গণতন্ত্র। এটা বৃহত্তর আদর্শের লড়াই যেখানে জনগণের মালিকানা জনগণ ফিরে পাবে।

রিজভী বলেন, জনগণের সরকার ক্ষমতায় থাকলে প্রতিটি পদে পদে জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হয়। সেই জবাবদিহিতা এখন নেই। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকেও আমরা মনে করি জনসমর্থিত। কারণ সমস্ত রাজনৈতিক দল শুধু আওয়ামী লীগ আর তাদের কয়েকটি দোসর ছাড়া সবাই এই সরকারকে সমর্থন করেছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আমরা সবাই সমর্থন করে যাচ্ছি। কিন্তু এটাও তো ঠিক দুর্ভিক্ষের আলামত যদি আমরা দেখতে পাই, শুনতে পাই, তাহলে তো জনগণ আমাদের ছেড়ে দেবে না।

তিনি বলেন, আজ প্রায় অসংখ্য গার্মেন্টস বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, মানুষ কর্মহীন হচ্ছে। মানুষ যদি খাবার কিনতে না পারে তাহলে কিন্তু দুর্ভিক্ষের আলামত তৈরি হবে এবং কেউ-ই কিন্তু রেহাই পাবে না আর হাততালি দেবে ওই পতিত ফ্যাসিস্টরা।

রিজভী বলেন, যে দোসরা ব্যাংকের হাজার কোটি টাকা মেরে বিদেশে পাচার করেছে তাদের সঙ্গে নামে মাত্র কিছু প্রতিষ্ঠান একই কাজ করেছে। সরকার ইচ্ছা করলে এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রশাসক নিয়োগ করে সেই প্রতিষ্ঠানগুলো চালাতে পারে। গার্মেন্টসগুলো যাতে বন্ধ না হয় সরকার এটাকে নানাভাবে টেকওভার করতে পারে। দোসররা থেকে থাকলে তাদের বিচার করুন। শ্রমিকদের কলকারখানা যেন বন্ধ না হয়। কারণ, অর্থনীতির কঠিন করুণ অবস্থা। এটা শুধু মুখের কথা নয় সামনে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে দেশে দুর্ভিক্ষ হয় কিনা এইটা এখন মানুষের মনে মনে। আর্থিক শৃঙ্খলা ফেরাতে হবে এটা ঠিক কিন্তু পাশাপাশি কর্মসংস্থান বৃদ্ধি না করলে জনগণের কাছে কেউ-ই রেহাই পাবেন না।

রিজভী বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে তো সংস্কার বিরোধী কোনো কথা বলা হয়নি, সংস্কারের পক্ষেই বলা হয়েছে। আপনারা যে সংস্কারের কথা বলছেন, বিএনপির ৩১ দফার মধ্যে প্রায় অনেক জিনিসই প্রতিফলিত হয়েছে। জুলাই সনদের অনেক বিষয় বিএনপি গ্রহণ করেছে। কিন্তু এটি মূলনীতির মধ্যে নিতে হবে কেন? যুগে যুগে দেশে দেশে আরও সংস্কার হবে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, জিয়া পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ড. শফিকুর ইসলাম, মহাসচিব প্রফেসর ড. মো. এমতাজ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব কৃষিবিদ মনোয়ারুল ইসলাম এনাম, ইঞ্জি শরিফুজ্জামান খান শরিফ, আবুল কালাম আজাদ, এসএম কবীরসহ বিএনপি এবং জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।