, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চট্রগ্রাম সাতকানিয়া প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পরিষদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল। যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে চালকসহ ২ নারী নিহত। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহন ও যাত্রীদের তীব্র চাপ সৃষ্টি হয়। বাজারে বেড়েছে সব ধরনের মাংসের দাম তবে সবজির দাম কিছুটা কমেছে। চট্রগ্রাম টেরিবাজার বাণিজ্যিক ভবনে আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে মৃত্যু ২। পদ্মা সেতুতে ১ দিনে টোল আদায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা। কোম্পানীগঞ্জে বজ্রপাতে রাম চন্দ্র তালুকদার নামে ১ জনের মৃত্যু। সরকারি বেসরকারি স্কুলে ভর্তিতে থাকছে না লটারি, আসছে নতুন ভর্তি ব্যবস্থা। বর্জ্য অপসারণের আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারের নির্দেশনা: প্রধানমন্ত্রী। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুজ্জোহার বিদায়।

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহন ও যাত্রীদের তীব্র চাপ সৃষ্টি হয়।

  • প্রকাশের সময় : ১০ ঘন্টা আগে
  • ১৩ পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক।

ঈদযাত্রার আজ দুপুরের পর থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহন ও যাত্রীদের তীব্র চাপ সৃষ্টি হ। বিকেল ৫টার দিকে শুরু হয় বৃষ্টি। আর এতে চরম দুর্ভোগ দেখা দেয় সড়কে। তবে বৃষ্টি উপেক্ষা করেই ঘরমুখী যাত্রীরা গন্তব্যের উদ্দেশে সড়কে নেমে পড়েন। মানুষের ঢল আর বৃষ্টির কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও চন্দ্রা-নবীনগর সড়কে ২১ কিলোমিটার জুড়ে দেখা দেয় তীব্র যানজট। পরে বৃষ্টি থামলেও এখনও কমেনি যানজট।

গতকাল বুধবার দুপুরের পর শিল্প অধ্যুষিত গাজীপুরের কয়েকশ’ শিল্প কারখানা ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। ছুটি পেয়েই কর্মজীবী মানুষ নাড়ির টানে বাড়ির পথে রওনা হন।

উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার গাজীপুরের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা বাস টার্মিনাল এলাকায় হাজার হাজার যাত্রীর অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘ হতে থাকে। ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে ছেড়ে আসা দূরপাল্লার পরিবহনগুলো চন্দ্রা টার্মিনালে প্রবেশের আগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে নাকাল হতে হচ্ছে। চন্দ্রা থেকে জেলার কোনাবাড়ি উড়ালসড়ক ছাড়িয়ে নাওজোড় পর্যন্ত ১৮ কিলোমিটার অতিক্রম করেছে যানজট। অনেক যানবাহন গ্রাম ও শহরের ছোট ছোট পথ ব্যবহার করছে।

বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রী সৌরভ জানান, বৃষ্টি থেমেছে, কিন্তু যানজট থামছে না। সড়ক পার হয়ে ওপার যাওয়ার কায়দাও নেই। ভাড়া বেশি সেটা সমস্যা না। কিন্তু যানজটের কষ্ট অনেক হচ্ছে।

শ্যামলী পরিবহনের চালক সুমন  গণমাধ্যমকে  জানান, হঠাৎ বৃষ্টি নামায় মানুষ এদিক ওদিকে ছুটোছুটি শুরু করেছে। যানবাহনগুলোর তদারকি নেই। যে যার মতো সড়কে থেমে যাত্রী উঠাচ্ছে। এর জন্যই যানজট বাড়ছে।

এদিকে যানজট নিরসনে বৃষ্টির পর কয়েকটি স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা থাকলেও কোনো কাজে আসছে না। এ ব্যাপারে হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ট্রাফিক ইন্সপেক্টরের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।

চন্দ্রা এলাকায় টহলরত গাজীপুর জেলা ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট আলমগীর হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, যানজট কমাতে থানা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশসহ বহু স্বেচ্ছাসেবী কাজ করছে। কিন্তু মানুষের চাপ অনেক বেশি। যানজট রাতের মধ্যেই কমে যাবে।

আমাদের ঠিকানা নিউজ।

 

চট্রগ্রাম সাতকানিয়া প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পরিষদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল।

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহন ও যাত্রীদের তীব্র চাপ সৃষ্টি হয়।

প্রকাশের সময় : ১০ ঘন্টা আগে

নিজস্ব প্রতিবেদক।

ঈদযাত্রার আজ দুপুরের পর থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহন ও যাত্রীদের তীব্র চাপ সৃষ্টি হ। বিকেল ৫টার দিকে শুরু হয় বৃষ্টি। আর এতে চরম দুর্ভোগ দেখা দেয় সড়কে। তবে বৃষ্টি উপেক্ষা করেই ঘরমুখী যাত্রীরা গন্তব্যের উদ্দেশে সড়কে নেমে পড়েন। মানুষের ঢল আর বৃষ্টির কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও চন্দ্রা-নবীনগর সড়কে ২১ কিলোমিটার জুড়ে দেখা দেয় তীব্র যানজট। পরে বৃষ্টি থামলেও এখনও কমেনি যানজট।

গতকাল বুধবার দুপুরের পর শিল্প অধ্যুষিত গাজীপুরের কয়েকশ’ শিল্প কারখানা ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। ছুটি পেয়েই কর্মজীবী মানুষ নাড়ির টানে বাড়ির পথে রওনা হন।

উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার গাজীপুরের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা বাস টার্মিনাল এলাকায় হাজার হাজার যাত্রীর অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘ হতে থাকে। ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে ছেড়ে আসা দূরপাল্লার পরিবহনগুলো চন্দ্রা টার্মিনালে প্রবেশের আগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে নাকাল হতে হচ্ছে। চন্দ্রা থেকে জেলার কোনাবাড়ি উড়ালসড়ক ছাড়িয়ে নাওজোড় পর্যন্ত ১৮ কিলোমিটার অতিক্রম করেছে যানজট। অনেক যানবাহন গ্রাম ও শহরের ছোট ছোট পথ ব্যবহার করছে।

বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রী সৌরভ জানান, বৃষ্টি থেমেছে, কিন্তু যানজট থামছে না। সড়ক পার হয়ে ওপার যাওয়ার কায়দাও নেই। ভাড়া বেশি সেটা সমস্যা না। কিন্তু যানজটের কষ্ট অনেক হচ্ছে।

শ্যামলী পরিবহনের চালক সুমন  গণমাধ্যমকে  জানান, হঠাৎ বৃষ্টি নামায় মানুষ এদিক ওদিকে ছুটোছুটি শুরু করেছে। যানবাহনগুলোর তদারকি নেই। যে যার মতো সড়কে থেমে যাত্রী উঠাচ্ছে। এর জন্যই যানজট বাড়ছে।

এদিকে যানজট নিরসনে বৃষ্টির পর কয়েকটি স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা থাকলেও কোনো কাজে আসছে না। এ ব্যাপারে হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ট্রাফিক ইন্সপেক্টরের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।

চন্দ্রা এলাকায় টহলরত গাজীপুর জেলা ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট আলমগীর হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, যানজট কমাতে থানা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশসহ বহু স্বেচ্ছাসেবী কাজ করছে। কিন্তু মানুষের চাপ অনেক বেশি। যানজট রাতের মধ্যেই কমে যাবে।

আমাদের ঠিকানা নিউজ।