, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চট্রগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের “এস ড্রাইভ”অভিযানে ৭০৫ জন গ্রেফতার স্কুলে ভর্তি নেওয়া হবে পরিক্ষার মাধ্যমে:শিক্ষামন্ত্রী বাহরাইনে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের ফেরাতে বিশেষ উড়োজাহাজের উদ্যোগ। র‍্যাবের ডিজি হলেন হাবীব, এসবিপ্রধান নুরুল আমিন, সিআইডিপ্রধান মোসলেহ। জাবি লোকপ্রশাসন বিভাগের এক ছাত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার। লিখিত বক্তব্য পাঠ করার রেওয়াজ নেই উল্লেখ করে সংসদ সদস্যদের সতর্ক। আজ সরকারি চাকরিজীবীদের শেষ কর্মদিবস। সুন্দরী নারীর ছবি দিয়ে ফেসবুকে প্রতারণার অভিযোগে ৩ জন গ্রেফতার। ২০০ বোতল ফেনসিডিলসহ এক মাদক কারবারিকে আটক। মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার।

জাবি লোকপ্রশাসন বিভাগের এক ছাত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার।

  • প্রকাশের সময় : ১২ ঘন্টা আগে
  • ১৪ পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: আব্দুল্লাহপুর।

সাভারের ইসলামনগর এলাকার ভাড়া বাসা থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) লোকপ্রশাসন বিভাগের এক ছাত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধারকরা হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) বিকেলে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

​​নিহত ওই ছাত্রীর নাম শারমিন জাহান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ৫১তম আবর্তনের (২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থী ছিলেন। শারমিন তার স্বামী ফাহিম আল হাসানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ইসলামনগর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।

শারমিনের স্বামীর ভাষ্য মতে, দুপুরে তিনি বাসায় ছিলেন না। দুপুর আনুমানিক ২টা থেকে ৩টার মধ্যে বাসায় ফিরে তিনি দেখতে পান যে বাসার প্রধান দরজা বাইরে থেকে বন্ধ। পরে বিকল্প উপায়ে বাসার ভেতরে প্রবেশ করে তিনি মেঝেতে শারমিনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। শারমিনের মাথায় গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং তিনি সম্পূর্ণ নিস্তেজ অবস্থায় ছিলেন। ​পরবর্তীতে বাসার মালিক ও প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় শারমিনকে দ্রুত উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে এনাম মেডিকেল কলেজ  হাসপাতালের ডিউটি অফিসার ইউসুফ আলী গণমাধ্যমকে বলেন, উনাকে (শারমিন) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে হাসপাতালে আনা হয়। তখন তিনি মৃত অবস্থায় ছিলেন। আমরা তাকে ব্রট ডেড (মৃত অবস্থায় আনা) ঘোষণা করি।

খবর পেয়ে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উপস্থিত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলমসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী।

প্রক্টর এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, আমরা ঘটনা সম্পর্কে অবগত হয়েছি এবং যথাসম্ভব সহযোগিতা করেছি। পুলিশ প্রশাসনকে অনুরোধ করেছি এর প্রপার ইনভেস্টিগেশন করার।

আশুলিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) রুবেল হাওলাদার  গণমাধ্যমকে বলেন, এটা একটি মার্ডার কেস। ইতিমধ্যে মরদেহ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য। বাকি তথ্য ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে।

আমাদের ঠিকানা নিউজ। 

 

চট্রগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের “এস ড্রাইভ”অভিযানে ৭০৫ জন গ্রেফতার

জাবি লোকপ্রশাসন বিভাগের এক ছাত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার।

প্রকাশের সময় : ১২ ঘন্টা আগে

নিজস্ব প্রতিবেদক: আব্দুল্লাহপুর।

সাভারের ইসলামনগর এলাকার ভাড়া বাসা থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) লোকপ্রশাসন বিভাগের এক ছাত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধারকরা হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) বিকেলে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

​​নিহত ওই ছাত্রীর নাম শারমিন জাহান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ৫১তম আবর্তনের (২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থী ছিলেন। শারমিন তার স্বামী ফাহিম আল হাসানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ইসলামনগর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।

শারমিনের স্বামীর ভাষ্য মতে, দুপুরে তিনি বাসায় ছিলেন না। দুপুর আনুমানিক ২টা থেকে ৩টার মধ্যে বাসায় ফিরে তিনি দেখতে পান যে বাসার প্রধান দরজা বাইরে থেকে বন্ধ। পরে বিকল্প উপায়ে বাসার ভেতরে প্রবেশ করে তিনি মেঝেতে শারমিনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। শারমিনের মাথায় গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং তিনি সম্পূর্ণ নিস্তেজ অবস্থায় ছিলেন। ​পরবর্তীতে বাসার মালিক ও প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় শারমিনকে দ্রুত উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে এনাম মেডিকেল কলেজ  হাসপাতালের ডিউটি অফিসার ইউসুফ আলী গণমাধ্যমকে বলেন, উনাকে (শারমিন) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে হাসপাতালে আনা হয়। তখন তিনি মৃত অবস্থায় ছিলেন। আমরা তাকে ব্রট ডেড (মৃত অবস্থায় আনা) ঘোষণা করি।

খবর পেয়ে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উপস্থিত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলমসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী।

প্রক্টর এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, আমরা ঘটনা সম্পর্কে অবগত হয়েছি এবং যথাসম্ভব সহযোগিতা করেছি। পুলিশ প্রশাসনকে অনুরোধ করেছি এর প্রপার ইনভেস্টিগেশন করার।

আশুলিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) রুবেল হাওলাদার  গণমাধ্যমকে বলেন, এটা একটি মার্ডার কেস। ইতিমধ্যে মরদেহ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য। বাকি তথ্য ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে।

আমাদের ঠিকানা নিউজ।