মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের পৃথক অভিযানে ১ কেজি ৮২০ গ্রাম গাঁজা, একটি টাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও একটি বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশন উদ্ধারকরা হয়েছে। এ ঘটনায় মোট ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং ২ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (৭ জুলাই) দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার রাজাপুর উত্তরপাড়া, আলুকদিয়া, দর্শনা এবং সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সদর উপজেলার ইসলামপাড়া এলাকার মো. রাসেল বিশ্বাসের কাছ থেকে ১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। অপরদিকে রাজাপুর উত্তরপাড়া গ্রামের মো. আজিজুল হকের বাড়ির শয়নকক্ষের খাটের নিচে রাখা একটি কাপড়ের ব্যাগ থেকে ৭৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া পৃথক মোবাইল কোর্ট অভিযানে মো. তৌফিকের কাছ থেকে একটি টাপেন্টাডল ট্যাবলেট, মো. আব্দুল আলিমের কাছ থেকে একটি বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশন, মো. বিশারুলের কাছ থেকে ১০ গ্রাম, আরিফ হোসেনের কাছ থেকে ১০ গ্রাম এবং আব্দুল কাদের জিলানীর কাছ থেকে ৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। অভিযানে গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন— রাসেল বিশ্বাস (৩০), আজিজুল হক (৬৩), তৌফিক (২৪), আব্দুল আলিম (৪৫), বিশারুল (৩২), আরিফ হোসেন (৩৮) ও আব্দুল কাদের জিলানী। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. আসিস মোমতাজ এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহিন আলম। আদালতের রায়ে মো. তৌফিককে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা, মো. আব্দুল আলিমকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা, মো. বিশারুলকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা, মো. আরিফ হোসেনকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা এবং মো. আব্দুল কাদের জিলানীকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এদিকে মো. রাসেল বিশ্বাস ও মো. আজিজুল হকের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় পৃথক দুটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, জেলার মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
amadertikana.com