, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রাস্তায় দাঁড় করিয়ে মন্ত্রী বা অতিথিকে শুভেচ্ছা জানানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বাংলাদেশকে ২৭৫ রানের টার্গেট দিল পাকিস্তান। রাঙামাটি বধির বিদ্যালয়ে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ। এলএনজি খাতে বিনিয়োগ বাংলাদেশকে ঝুঁকিতে ফেলবে: জিইএম। ইদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজশাহীতে পুলিশের পদক্ষেব। রাঙামাটিকে বিশ্বমানের পর্যটন নগরী গড়তে ট্যুর গাইডদের ভেস্ট প্রদান করলেন হাবীব আজম। ব্যক্তিগত গাড়ির পরিবর্তে গণপরিবহন ব্যবহারের নির্দেশ ব্যাংক কর্মকর্তাদের। ডেঙ্গু প্রতিরোধে ১৪ মার্চ থেকে সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু। ইরানে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার কঠোর সমালোচনা করেছে উত্তর কোরিয়া। টিএসসিতে দুই নারীকে লাঞ্ছনায় ঢাবির ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার।

রাস্তায় দাঁড় করিয়ে মন্ত্রী বা অতিথিকে শুভেচ্ছা জানানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

  • প্রকাশের সময় : এক ঘন্টা আগে
  • ৯ পড়া হয়েছে

শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে শুভেচ্ছা জানানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে মন্ত্রী বা অতিথিকে শুভেচ্ছা জানানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধউল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষক বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের রোদে বা সড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করতে পারবে না।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন। অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে শিক্ষার্থীদের রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে মন্ত্রীকে সংবর্ধনা জানানোর দৃশ্য দেখে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

এহছানুল হক মিলন বলেন, আমাকে একজন সাধারণ মানুষের মতো চলাফেরা করতে হবে। আমার জন্য কোনো ছাত্র-ছাত্রীকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখা যাবে না। কোনো শিক্ষক কখনো আমার জন্য শিক্ষার্থীদের দাঁড় করাবেন না।

তিনি আরও বলেন, আমি যেখানে যাব, সেখানে কোনো শিক্ষক বা শিক্ষার্থীকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলে গ্রহণযোগ্য হবে না। শিক্ষার্থীদের কষ্ট দিয়ে কোনো ধরনের সংবর্ধনা বা শুভেচ্ছা আয়োজন করার প্রয়োজন নেই।

শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে নির্দেশনা দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের দ্রুত ছুটি দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দিতে হবে।’ এ সময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমরা আর কখনো রোদের মধ্যে রাস্তায় দাঁড়াবে না। তোমাদের রাস্তায় এসে শুভেচ্ছা জানানোর দরকার নেই। আমি নিজেই স্কুলে স্কুলে গিয়ে তোমাদের সঙ্গে দেখা করব। পরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী এবং তাদের পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান রাসেল, উপজেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল আবেদিন স্বপন, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বোরহান উদ্দিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা।

আমাদের ঠিকানা নিউজ। 

 

রাস্তায় দাঁড় করিয়ে মন্ত্রী বা অতিথিকে শুভেচ্ছা জানানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

রাস্তায় দাঁড় করিয়ে মন্ত্রী বা অতিথিকে শুভেচ্ছা জানানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

প্রকাশের সময় : এক ঘন্টা আগে

শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে শুভেচ্ছা জানানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে মন্ত্রী বা অতিথিকে শুভেচ্ছা জানানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধউল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষক বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের রোদে বা সড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করতে পারবে না।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন। অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে শিক্ষার্থীদের রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে মন্ত্রীকে সংবর্ধনা জানানোর দৃশ্য দেখে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

এহছানুল হক মিলন বলেন, আমাকে একজন সাধারণ মানুষের মতো চলাফেরা করতে হবে। আমার জন্য কোনো ছাত্র-ছাত্রীকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখা যাবে না। কোনো শিক্ষক কখনো আমার জন্য শিক্ষার্থীদের দাঁড় করাবেন না।

তিনি আরও বলেন, আমি যেখানে যাব, সেখানে কোনো শিক্ষক বা শিক্ষার্থীকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলে গ্রহণযোগ্য হবে না। শিক্ষার্থীদের কষ্ট দিয়ে কোনো ধরনের সংবর্ধনা বা শুভেচ্ছা আয়োজন করার প্রয়োজন নেই।

শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে নির্দেশনা দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের দ্রুত ছুটি দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দিতে হবে।’ এ সময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমরা আর কখনো রোদের মধ্যে রাস্তায় দাঁড়াবে না। তোমাদের রাস্তায় এসে শুভেচ্ছা জানানোর দরকার নেই। আমি নিজেই স্কুলে স্কুলে গিয়ে তোমাদের সঙ্গে দেখা করব। পরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী এবং তাদের পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান রাসেল, উপজেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল আবেদিন স্বপন, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বোরহান উদ্দিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা।

আমাদের ঠিকানা নিউজ।