, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
২৫টি ফ্লাইট বাতিল, ৫ দিনে মোট ১৭৩। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৮ জনকে পূর্ন বন্টন। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস আটক। প্রতিরক্ষা বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পদ্মা-মেঘনা নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা নিষেদ্ধ ঘোষণা। যোগ্য নেত্রী গোলতাজ বেগমকে, চট্টগ্রাম মহানগর থেকে মনোনীত করার আহ্বান। জুমার নামাজ শেষে শিশুদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়। কালামিয়াবাজারে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ও ইফতার সামগ্রী না পেয়ে হালি হাতে ফিরলেন অসহায় মানুষগুলো। নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন: মোস্তাকুর রহমান। কারওয়ান বাজারে ট্র্যাফিক সিগন্যালে রাষ্ট্র পতি।

মৌসুমি কৃষি কার্যক্রম নয়-রূপ নিয়েছে প্রায় ১০০ কোটি।

  • প্রকাশের সময় : ১১:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩১ পড়া হয়েছে

 রাজশাহী অঞ্চলে শীতকালীন টমেটো চাষ এখন আর শুধু মৌসুমি কৃষি কার্যক্রম নয়-রূপ নিয়েছে প্রায় ১০০ কোট টাকার বাণিজ্যিক অর্থনৈতিক শক্তিতে। উৎপাদন, পরিবহন, আড়ত, পাইকারি বাজার ও খুচরা বিক্রির সমন্বয়ে টমেটো এখন রাজশাহীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, আড়তদার ও স্থানীয় বাজারসংশ্লিষ্টদের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রাজশাহী, পবা, মোহনপুর, তানোর, বাঘা, চারঘাট ও দুর্গাপুর উপজেলা জুড়ে টমেটো চাষ দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। বিশেষ করে শীতকালীন সবজির বাজারে টমেটো রাজশাহীর জন্য একটি স্থিতিশীল নগদ ফসল হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।

দৈনিক শেয়ার বিজের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, চলতি মৌসুমে টমেটো চাষের মাধ্যমে হাজারো কৃষকের জীবিকা উন্নত হয়েছে, কিন্তু সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়াজাতকরণের অভাবে সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) প্রাথমিক সমীক্ষা অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলায় ৫ হাজার ২০০ হেক্টরের বেশি জমিতে টমেটো চাষ হয়েছে, প্রতি হেক্টরে গড় উৎপাদন ৩০ থেকে ৩৫ মেট্রিক টন, মোট উৎপাদন প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন। এই উৎপাদনের বড় অংশ ঢাকাসহ দেশের প্রধান পাইকারি বাজারে সরবরাহ হচ্ছে। পাশাপাশি রাজশাহী অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ চাহিদাও টমেটো বাজারকে সক্রিয় রাখছে।

ডিএইর কৃষি প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী বলেন, রাজশাহীর মাটি এবং জলবায়ু টমেটো চাষের জন্য আদর্শ। গত বছরের তুলনায় এবার চাষের পরিমাণ ১৫ শতাংশ বেড়েছে, যা কৃষকদের মধ্যে এই ফসলের জনপ্রিয়তা প্রমাণ করে। বিশেষ করে গোদাগাড়ী উপজেলায় টমেটো চাষ লাভজনক অবস্থায় রয়েছে। প্রতি বিঘায় প্রায় ৪০-৫০ হাজার টাকা আয় হচ্ছে।

পাইকারি বাজারে মৌসুমের শুরুতে টমেটোর দাম ছিল কেজিপ্রতি ২৫-৩০ টাকা। মৌসুমের মাঝামাঝি এসে দাম নেমে আসে ১২ থেকে ১৮ টাকা কেজিতে। তবে পুরো মৌসুমে গড় মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১৮-২০ টাকা। এই হিসাব অনুযায়ী, উৎপাদিত ১ লাখ ৭০ হাজার টনের মোট বাজারমূল্য প্রায় ৩০৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে উৎপাদন ব্যয়, পরিবহন, মধ্যস্বত্বভোগীর অংশ বাদ দিয়ে খামার পর্যায়ে কৃষকের হাতে আসে আনুমানিক ৯৫ থেকে ১০৫ কোটি টাকা, যা রাজশাহীর গ্রামীণ অর্থনীতিতে সরাসরি ভূমিকা রাখে।

আমাদের ঠিকানা নিউজ।

২৫টি ফ্লাইট বাতিল, ৫ দিনে মোট ১৭৩।

মৌসুমি কৃষি কার্যক্রম নয়-রূপ নিয়েছে প্রায় ১০০ কোটি।

প্রকাশের সময় : ১১:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

 রাজশাহী অঞ্চলে শীতকালীন টমেটো চাষ এখন আর শুধু মৌসুমি কৃষি কার্যক্রম নয়-রূপ নিয়েছে প্রায় ১০০ কোট টাকার বাণিজ্যিক অর্থনৈতিক শক্তিতে। উৎপাদন, পরিবহন, আড়ত, পাইকারি বাজার ও খুচরা বিক্রির সমন্বয়ে টমেটো এখন রাজশাহীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, আড়তদার ও স্থানীয় বাজারসংশ্লিষ্টদের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রাজশাহী, পবা, মোহনপুর, তানোর, বাঘা, চারঘাট ও দুর্গাপুর উপজেলা জুড়ে টমেটো চাষ দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। বিশেষ করে শীতকালীন সবজির বাজারে টমেটো রাজশাহীর জন্য একটি স্থিতিশীল নগদ ফসল হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।

দৈনিক শেয়ার বিজের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, চলতি মৌসুমে টমেটো চাষের মাধ্যমে হাজারো কৃষকের জীবিকা উন্নত হয়েছে, কিন্তু সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়াজাতকরণের অভাবে সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) প্রাথমিক সমীক্ষা অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলায় ৫ হাজার ২০০ হেক্টরের বেশি জমিতে টমেটো চাষ হয়েছে, প্রতি হেক্টরে গড় উৎপাদন ৩০ থেকে ৩৫ মেট্রিক টন, মোট উৎপাদন প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন। এই উৎপাদনের বড় অংশ ঢাকাসহ দেশের প্রধান পাইকারি বাজারে সরবরাহ হচ্ছে। পাশাপাশি রাজশাহী অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ চাহিদাও টমেটো বাজারকে সক্রিয় রাখছে।

ডিএইর কৃষি প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী বলেন, রাজশাহীর মাটি এবং জলবায়ু টমেটো চাষের জন্য আদর্শ। গত বছরের তুলনায় এবার চাষের পরিমাণ ১৫ শতাংশ বেড়েছে, যা কৃষকদের মধ্যে এই ফসলের জনপ্রিয়তা প্রমাণ করে। বিশেষ করে গোদাগাড়ী উপজেলায় টমেটো চাষ লাভজনক অবস্থায় রয়েছে। প্রতি বিঘায় প্রায় ৪০-৫০ হাজার টাকা আয় হচ্ছে।

পাইকারি বাজারে মৌসুমের শুরুতে টমেটোর দাম ছিল কেজিপ্রতি ২৫-৩০ টাকা। মৌসুমের মাঝামাঝি এসে দাম নেমে আসে ১২ থেকে ১৮ টাকা কেজিতে। তবে পুরো মৌসুমে গড় মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১৮-২০ টাকা। এই হিসাব অনুযায়ী, উৎপাদিত ১ লাখ ৭০ হাজার টনের মোট বাজারমূল্য প্রায় ৩০৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে উৎপাদন ব্যয়, পরিবহন, মধ্যস্বত্বভোগীর অংশ বাদ দিয়ে খামার পর্যায়ে কৃষকের হাতে আসে আনুমানিক ৯৫ থেকে ১০৫ কোটি টাকা, যা রাজশাহীর গ্রামীণ অর্থনীতিতে সরাসরি ভূমিকা রাখে।

আমাদের ঠিকানা নিউজ।