নিজস্ব প্রতিবেদক।
বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ তার পিতৃভূমি বগুড়ায় আসছেন। বগুড়ার আলো, বাতাস, মাটি ও মানুষের একান্ত আপনজন তারেক রহমানের আগমনী ধ্বনীতে বগুড়ার প্রকৃতি যেন নতুন রুপে সেজেছে। মাঘের মিষ্টি আবহাওয়ায় তারেক রহমানকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত বগুড়ার লাখো মানু। বাংলাদেশের উন্নয়নের রাজনীতির হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা তারেক রহমান ইতোপূর্বে ১১ জানুয়ারি বগুড়ায় আসার কথা থাকলেও বিধি-নিষেধের কারণে তিনি তার প্রিয়ভূমিতে আসতে পারেননি। নির্ধারিত সময়ের ১৯ দিনের মাথায় তিনি আজ বগুড়ায় আসছেন। তার হাতে গড়া বগুড়া শহর কেমন আছে তিনি দেখবেন, শহরে প্রবেশ করে। ১৯৯১ সাল থেকে বগুড়ার উন্নয়নে নিবেদিত প্রাণ তারেক রহমানের ভালোলাগা-ভালোবাসা বলতে যা বোঝায় তাই ছিলো বগুড়া। তার প্রচেষ্টায় বিগত ৪ দলীয় জোট সরকারের সময় বগুড়ায় শহীদ।
জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভবন, শহীদ চাঁন্দু স্টেডিয়ামের নতুন রুপ দেওয়া, বগুড়ার বনানী থেকে মাটিডালী এবং সাতমাথা থেকে স্টেশন রোড প্রশস্তকরণ, বিয়াম স্কুল এন্ড কলেজ স্থাপন, জেলা প্রশাসনের কালেক্টরেট ভবন, কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ ভবন, করতোয়া নদীর ওপর একাধিক ব্রিজ নির্মাণ করে পূর্ব বগুড়ার সাথে পশ্চিম বগুড়ার মানুষের সংযোগ স্থাপন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বগুড়া কোর্ট চত্বরে জজ কোট ভবন নির্মাণ, পর্যটন মোটেলের সংস্কার, দ্বিতীয় বাইপাস সড়ক নির্মাণ, বগুড়া সদর উপজেলা পরিষদ ভবন নির্মাণ, মাটিডালী বিমান মোড়ের সুন্দর্যবর্ধনে ফাইটার বিমান স্থাপনসহ নানা উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছেন।
প্রিয়ভূমির জন্য নিবেদিত এই কিংবদন্তির আগমনী ধ্বনীতে বগুড়াবাসী আনন্দিত ও উৎফুল্ল। ১৯ বছর একমাস ৫ দিন পর আজ বগুড়ায় এসে তিনি সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে জনসভায় বক্তব্য রাখবেন। তিনি নওগাঁ থেকে বগুড়ায় আসবেন এর মাঝে তার কয়েকটি পথসভায় বক্তব্য দেওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। বগুড়ায় জনসভা শেষে তিনি হোটেল নাজ গার্ডেনে রাত যাপন করবেন। ১৯৮৮ সালে বগুড়ার গাবতলীতে বিএনপি উপজেলা শাখার প্রাথমিক সদস্য হিসেবে তারেক রহমান রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। সেই সময় তিনি বগুড়ার দলীয় ইউনিটগুলোকে সক্রিয়ভাবে সংগঠিত করেন এবং রাজনীতিকে আরও উৎপাদন ও উন্নয়নমুখী করার জন্য অন্তর্নিহিত সংস্কৃতি পরিবর্তন করেন। তারেক রহমান বিএনপির জাতীয় প্রচারণা কৌশল কমিটির সদস্য ছিলেন এবং তার মা খালেদা জিয়ার নির্বাচনি এলাকার পাঁচটি নির্বাচনি এলাকায় জাতীয় নির্বাচনি প্রচারণার সমন্বয়কের দায়িত্বও পালন করেছিলেন। ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময়, যখন সামরিক সরকার থেকে নির্বাচিত সরকারে রূপান্তর চলছিল, তারেক রহমান সক্রিয়ভাবে দলের পক্ষে সমর্থন।
আমাদের ঠিকানা নিউজ