, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পৃথিবীটাকে বরাবরের জন্য বদলে দিয়েছিল। ঈদ আনন্দের সাথে দর্শকদের জন্য বাড়তি আনন্দ নিয়ে: হানিফ সংকেত। ঈদ উদযাপন করবে ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী,। জাতীয় ঈদ মাঠে সাদা পোশাকে র‍্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার। ট্রাম্পের শর্তে শান্তি চুক্তিতে রাজি কিনা কোনও নিশ্চয়তা নেই। চট্রগ্রাম সাতকানিয়া প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পরিষদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল। যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে চালকসহ ২ নারী নিহত। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহন ও যাত্রীদের তীব্র চাপ সৃষ্টি হয়। বাজারে বেড়েছে সব ধরনের মাংসের দাম তবে সবজির দাম কিছুটা কমেছে। চট্রগ্রাম টেরিবাজার বাণিজ্যিক ভবনে আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে মৃত্যু ২।

ট্রাম্পের শর্তে শান্তি চুক্তিতে রাজি কিনা কোনও নিশ্চয়তা নেই।

  • প্রকাশের সময় : ৬ ঘন্টা আগে
  • ৩ পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।

খারগ দ্বীপ ইরানের তেল শিল্পের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি দখল করলেই যে তেহরান ট্রাম্পের শর্তে শান্তি চুক্তিতে রাজি হবে তার কোনও নিশ্চয়তা নেইবলে মনে করেন সামরিক বিশ্লেষকরা। মার্কিন সামরিক বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত রিয়ার অ্যাডমিরাল মার্ক মন্টগোমারি অ্যাক্সিওসকে বলেন, ‘‘এই ধরনের মিশন মার্কিন সৈন্যদের অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।’’

তিনি বলেন, ‘‘যদি আমরা খারগ দ্বীপ দখলও করি, তারা অন্য প্রান্ত থেকে তেলের সরবরাহ বন্ধ করে দেবে। এমন নয় যে আমরা তাদের তেল উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করি।’’মন্টগোমারি বলেন, আরও দুই সপ্তাহ হামলা চালিয়ে ইরানের সক্ষমতা কমিয়ে দেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত তাদের ডেস্ট্রয়ার ও যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে তেলবাহী ট্যাংকারগুলোকে পাহারা দিয়ে নিয়ে যাবে; যার ফলে স্থল অভিযানের প্রয়োজন পড়বে না।

চলতি মার্চের শেষের দিকে চীন সফরের আগেই এই যুদ্ধ শেষ করতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু হরমুজ প্রণালির এই সঙ্কট তাকে সফর পিছিয়ে দিতে এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী যুদ্ধের সময়সীমা দীর্ঘায়িত করতে বাধ্য করেছে।

গত শুক্রবার মার্কিন সামরিক বাহিনী খারগ দ্বীপের কয়েক ডজন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, ‘‘ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য সতর্কবার্তা দিতেই ওই হামলা চালানো হয়। একই সঙ্গে এটি ছিল দ্বীপটিতে ইরানের সামরিক সক্ষমতা কমিয়ে স্থল অভিযানের ভিত্তিপ্রস্তুত করার একটি প্রাথমিক পদক্ষেপ।’’

বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘‘আমরা যেকোনও সময় ওই দ্বীপটি দখল করতে পারি। আমি একে একটি ছোট দ্বীপ বলি; যা একদমই অরক্ষিত। আমরা পাইপলাইনগুলো বাদে বাকি সবকিছু ধ্বংস করে দিয়েছি। পাইপলাইনগুলো রেখেছি। কারণ সেগুলো পুনর্নির্মাণ করতে তাদের কয়েক বছর সময় লেগে যেত।’’

স্থল সেনা মোতায়েন নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, তিনি কোথাও সেনা পাঠাচ্ছেন না। তবে রহস্য রেখে তিনি বলেন, ‘‘যদি পাঠাতামও তাহলে আমি নিশ্চিতভাবেই আপনাদের বলতাম না।’’

আগামী কয়েক দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ২ হাজার ৫০০ সদস্যের একটি মেরিন এক্সপেডিশনারি ফোর্স ওই অঞ্চলে পৌঁছাবে। এছাড়া সমপরিমাণ সদস্যের আরও দুটি ইউনিট ওই অঞ্চলের দিকে রওনা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের একটি সূত্র সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, মেরিন সেনাদের খারগ দ্বীপ ছাড়াও অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা হতে পারে। প্রয়োজন হলে ওই অঞ্চলের দূতাবাসগুলো থেকে কর্মীদের সরিয়ে নেওয়ার কাজও করতে পারেন মেরিন সেনারা।

আমাদের ঠিকানা নিউজ। 

 

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পৃথিবীটাকে বরাবরের জন্য বদলে দিয়েছিল।

ট্রাম্পের শর্তে শান্তি চুক্তিতে রাজি কিনা কোনও নিশ্চয়তা নেই।

প্রকাশের সময় : ৬ ঘন্টা আগে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।

খারগ দ্বীপ ইরানের তেল শিল্পের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি দখল করলেই যে তেহরান ট্রাম্পের শর্তে শান্তি চুক্তিতে রাজি হবে তার কোনও নিশ্চয়তা নেইবলে মনে করেন সামরিক বিশ্লেষকরা। মার্কিন সামরিক বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত রিয়ার অ্যাডমিরাল মার্ক মন্টগোমারি অ্যাক্সিওসকে বলেন, ‘‘এই ধরনের মিশন মার্কিন সৈন্যদের অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।’’

তিনি বলেন, ‘‘যদি আমরা খারগ দ্বীপ দখলও করি, তারা অন্য প্রান্ত থেকে তেলের সরবরাহ বন্ধ করে দেবে। এমন নয় যে আমরা তাদের তেল উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করি।’’মন্টগোমারি বলেন, আরও দুই সপ্তাহ হামলা চালিয়ে ইরানের সক্ষমতা কমিয়ে দেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত তাদের ডেস্ট্রয়ার ও যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে তেলবাহী ট্যাংকারগুলোকে পাহারা দিয়ে নিয়ে যাবে; যার ফলে স্থল অভিযানের প্রয়োজন পড়বে না।

চলতি মার্চের শেষের দিকে চীন সফরের আগেই এই যুদ্ধ শেষ করতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু হরমুজ প্রণালির এই সঙ্কট তাকে সফর পিছিয়ে দিতে এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী যুদ্ধের সময়সীমা দীর্ঘায়িত করতে বাধ্য করেছে।

গত শুক্রবার মার্কিন সামরিক বাহিনী খারগ দ্বীপের কয়েক ডজন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, ‘‘ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য সতর্কবার্তা দিতেই ওই হামলা চালানো হয়। একই সঙ্গে এটি ছিল দ্বীপটিতে ইরানের সামরিক সক্ষমতা কমিয়ে স্থল অভিযানের ভিত্তিপ্রস্তুত করার একটি প্রাথমিক পদক্ষেপ।’’

বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘‘আমরা যেকোনও সময় ওই দ্বীপটি দখল করতে পারি। আমি একে একটি ছোট দ্বীপ বলি; যা একদমই অরক্ষিত। আমরা পাইপলাইনগুলো বাদে বাকি সবকিছু ধ্বংস করে দিয়েছি। পাইপলাইনগুলো রেখেছি। কারণ সেগুলো পুনর্নির্মাণ করতে তাদের কয়েক বছর সময় লেগে যেত।’’

স্থল সেনা মোতায়েন নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, তিনি কোথাও সেনা পাঠাচ্ছেন না। তবে রহস্য রেখে তিনি বলেন, ‘‘যদি পাঠাতামও তাহলে আমি নিশ্চিতভাবেই আপনাদের বলতাম না।’’

আগামী কয়েক দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ২ হাজার ৫০০ সদস্যের একটি মেরিন এক্সপেডিশনারি ফোর্স ওই অঞ্চলে পৌঁছাবে। এছাড়া সমপরিমাণ সদস্যের আরও দুটি ইউনিট ওই অঞ্চলের দিকে রওনা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের একটি সূত্র সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, মেরিন সেনাদের খারগ দ্বীপ ছাড়াও অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা হতে পারে। প্রয়োজন হলে ওই অঞ্চলের দূতাবাসগুলো থেকে কর্মীদের সরিয়ে নেওয়ার কাজও করতে পারেন মেরিন সেনারা।

আমাদের ঠিকানা নিউজ।